Madhyamik History Suggestion 2020 with Answer

Madhyamik History Suggestion 2020 with Answer

Madhyamik History Suggestion 2020 with Answer

Madhyamik History Suggestion 2020 | class 10 history suggestion 2020

এখানে দেখুন মাধ্যমিক ইতিহাস(Madhyamik History): দুই নম্বরের প্রশ্ন ও উত্তর ।

এখানে দেখুন মাধ্যমিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর- ২ নম্বরের প্রশ্ন ও উত্তর

এখানে দেখুন মাধ্যমিক ইতিহাসের ছোট প্রশ্ন ও উত্তর

এখানে দেখুন- Madhyamik History MCQ Question and Answer in Bengali Language

Madhyamik History MCQ Online Test in Bengali | SET- 1

মাধ্যমিক ইতিহাস(Madhyamik History) । মাধ্যমিক পরীক্ষার নমুনা উত্তরপত্র । সঠিক উত্তর নির্বাচন করো।

 

2020 History Suggestion for Class 10 |Class x History Suggestion 2020

 

৪ নম্বরের প্রশ্ন ও উত্তরঃ

১৮৫৭ খ্রিষ্টাব্দের মহাবিদ্রোহের প্রতিশিক্ষিত বাঙালী সমাজের কীরূপ মনােভাব ছিল?

উঃ

১৮৫৭ খ্রিষ্টাব্দের মহাবিদ্রোহের প্রতি শিক্ষিত বাঙালী সমাজের মনােভাব :-

১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহকে শিক্ষিত বাঙালি সমাজ সাধারণভাবে সমর্থন করেনি।

ইংরেজদের ওপর বিশ্বাস :- তখনকার পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত বাঙালি সমাজ ইংরেজদের প্রতি অধিক আগ্রহ
পােষণ করে। তারা ভাবে এই সময় ভারতের ওপর থেকে ইংরেজ শক্তি চলে গেলে ভারতকে সঠিকভাবে চালানাে
যাবে না। তখনকার বাঙালি শিক্ষিত সমাজ ব্রিটিশ শাসনকে ভারতের পক্ষে কল্যানকর বলে মনে করত।।

বিদ্রোহের অযৌক্তিকতা :– ১৮৫৭ সালে বিদ্রোহকে সমকালীন বাঙালি সমাজ অপ্রয়ােজনীয়তা ভেবেছিল।
বিদেহে বিটিশ শাসনের অবসান ঘটলে ভারতে আবার মসলিম শাসনের দিন আসতে পারে, এই আশঙ্কা মূলত হিন্দু
বাঙালির ছিল।

অন্যান্য বাঙালিদের অভিমত :-

বিভিন্ন বাঙালি যেমন হরিশচন্দ্র মুখােপাধ্যায়, রাজনারায়ণ বসু ও অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ এই বিদ্রোহের উদ্দেশ্যর প্রতি।
তাদের অনাস্থা প্রকাশ করেন।

তখনকার যুগে বাঙালি মধ্যবিত্তের এক বিরাট অংশ ইংরেজদের অধীনে চাকরি করতাে তাই তারা চায়নি ইংরেজদের
বিরুদ্ধে যেতে।

১৮৫৭ খ্রিষ্টাব্দের মহাবিদ্রোহ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে যখন ব্যাপক আকার ধারণ করেছে তখন শিক্ষিত বাঙালি
সমাজের সমর্থনের অভাবে বাংলায় তা খুব একটা শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারেনি।

স্বামী বিবেকানন্দের ধর্ম সংস্কারের আদর্শ ব্যাখ্যা কর।

উঃ স্বামী বিবেকানন্দের ধর্মীয় চিন্তাধারার গুরুত্বপূর্ণ দিক হল ‘নব্য বেদান্তবাদ। বিবেকানন্দ প্রাচীন অদ্বৈত বেদান্ত।
দর্শনের নিজস্ব ব্যাখ্যা দিয়ে এটিকে জনপ্রিয় করে তােলেন। স্বামীজী বেদান্ত তত্ত্বের প্রচার আর তার সহায়ক উপাদানরপে।
কর্মযােগের প্রচার করে সমস্ত পৃথিবীর মানুষের মুক্তির পথের সন্ধান দিয়ে গেছেন। কুসংস্কার, অস্পৃশ্যতা, জাতিভেদ।
ধনী-দরিদ্রের প্রভেদ দূর করে তিনি জাতিকে ঐক্য ও কর্মশক্তিতে উদ্দীপ্ত হওয়ার আহ্বান জানান। বিবেকানন্দ দেশকে
মাতৃরুপে কল্পনা করে তার মুক্তির জন্য সকলকেই সামিল হবার আহ্বান জানান। বিবেকানন্দের নব্য বেদান্তের একটাই—জগতের কল্যাণেই নিজের মােক্ষলাভ। তাঁর ধর্মদর্শনে ঈশ্বরের সেবা প্রকৃতপক্ষে মানুষের অতি সেবা করা।

নারী ইতিহাসের উপর একটি টীকা লেখ।

উঃ বিশ শতকের মধ্য ভাগ থেকে সারা পৃথিবীতেই নারীকেন্দ্রিক চেতনা ও নারী আন্দোলনের জোয়ার লক্ষ করা যায়। নতুন সামাজিক ইতিহাস চর্চা ও নিম্নবর্গীয়দের ইতিহাসচর্চার মধ্যে নারীদের প্রান্তিক অবস্থান আলােচনার আঙিনায় উঠে আসে। ১৯৭০ এর দশক থেকে নারী ইতিহাসচর্চা ইতিহাসের একটি স্বতন্ত্র ধারারূপে গুরুত্ব লাভ করে। Gerda learner এরমতে, নারীমুক্তির জন্য নারী ইতিহাসচর্চা আবশ্যক। নারী ইতিহাসচর্চার মধ্যে উঠে এসেছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীর যােগদান, অভিজ্ঞতা, অবস্থান, ভূমিকার কথা। নারীর অধিকার বা অধিকারহীনতা, নারী স্বাধীনতা, প্রতিনিধিত্ব, ক্ষমতায়ন, লিঙ্গ সম্পর্ক, লিঙ্গ বৈষম্য, নারীবাদী সাহিত্য, নারী- আন্দোলন সমস্তই নারী ইতিহাসচর্চার পরিসরে আলােচিত হচ্ছে। পিতৃতান্ত্রিক সমাজের প্রাধান্যের বিরুদ্ধে মতামত প্রকাশিত হয়। বাল্যবিবাহ, পণপ্রথা, নারীশিক্ষা, ইত্যাদি বিষয়গুলি ইতিহাসের কালানুক্রমে নারীদের অবস্থান নির্ণয়ের ক্ষেত্রে আলােচনায় উঠে এসেছে। পিতৃতন্ত্র কীভাবে উৎপাদনের উপাদান জমি এবং সম্পত্তির অধিকার থেকে নারীকে বঞ্চিত করেছে সেই অর্থনৈতি স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করে নারী ইতিহাসচর্চা! Gerda learner, জেরাল্ডিন ফোর্বস, জে কৃষ্ণমূর্তির বাগচী, বীনা আগরওয়াল প্রমুখ নারী ইতিহাসচর্চাকারীদের মধ্যে অগ্রগণ্য।

১৮৫৫ খ্রিষ্টাব্দে সাঁওতালরা বিদ্রোহ করেছিল কেন?

উঃ  ১৮৫৫ খ্রীষ্টাব্দে সাঁওতালদের বিদ্রোহ করার কারণ :

চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তনের পরে এদেশে যেসব উপজাতি বিদ্রোহ হয়েছিল তার মধ্যে সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী হল।
১৮৫৫ সালে সাঁওতাল বিদ্রোহ। বিভিন্ন অঞ্চলে শান্ত ও নিরীহ সাঁওতালরা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়ে।

বিদ্রোহের কারণ :- ১৮৫৫ সালের সাঁওতাল বিদ্রোহের কারণগুলি হল –

i) রাজস্বের হার বৃদ্ধি :– সাঁওতালরা সাধারণত অরণ্য সঙ্কুল জমিতে চাষবাস করে জীবনধারণ করত কিন্তু
| নতুন ভূমি রাজস্ব আইন প্রণয়ন হলে সাঁওতালদের সেই জমির ওপর উচ্চহারে কর আরােপ করা হয়।
(ii) মহাজনদের প্রতারণা :– মহাজনরা সাঁওতালদের নানাভাবে ঠকাত। নগদ টাকায় খাজনা মেটাতে হত বলে
সাঁওতালরা মহাজনদের কাছে নগদ অর্থে ফসল বিক্রি করত। এবং অন্যায়ভাবে বেশি সুদ আদায় করত।

(iii) ব্যবসায়ীদের অত্যাচার :- ব্যবসায়ীরা এদেশে দোকান খুলে বসে সাঁওতালদের নানা ভাবে ঠকাত। তারা
কেনারাম ও ব্যাচারাম বাটখারা ব্যবহার করে সাঁওতালদের ঠকাত।

(iv) বেগার শ্রম :– রেলপথ সম্প্রসারণে পথ শুরু হলে ব্রিটিশ ঠিকাদাররা সাঁওতালদের বেগার শ্রম দানে বাধ্য
করত।

(v) নিম্ন মজুরি :- মহাজন ও জমিদাররা নিম্ন মজুরিতে সাঁওতালদের বলপূর্বক জমিতে খাটিয়ে নিত। এই কারণে।
সাঁওতালদের প্রচুর ক্ষোভ জমা ছিল মহাজন ও জমিদারদের বিরুদ্ধে।

(vi) ধর্মান্তরকরণ :- খ্রিষ্টান মিশনারীরা সাঁওতালদের অঞ্চলে বলপূর্বক প্রবেশ করে তাদের খ্রীষ্টধর্মে দীক্ষিত

করত।

সর্বোপরি অরণ্যবাসী সাঁওতালরা অরণ্যের অধিকার রক্ষায় শেষ অবধি বিদ্রোহের পথই বেছে নিয়েছিল।

স্বাধীনতার পরে ভাষার ভিত্তিতে ভারত কীভাবে পুনর্গঠিত হয়েছিল ?

উঃ ভাষাভিত্তিক প্রদেশ গঠনের প্রয়ােজনীয়তা ও যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখার জন্য ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে বিচারপতি
এস,কে,ধর-এর নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠন করা হয়েছিল। এই কমিশনের নাম ‘ভাষাভিত্তিক প্রদেশ কমিশন’। এই
কমিশন মনে করেছিল যে, ভাষাভিত্তিক প্রদেশ গঠন করলে জাতীয় ঐক্য বিঘ্নিত হবে ও প্রাদেশিক জটিলতা দেখা
দেবে। তাই বিষয়টি নিয়ে আবার নতুন করে ভাবনা চিন্তা শুরু হয়। তাই ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দের ডিসেম্বর মাসে জওহরলাল
নেহেরু, বল্লভভাই প্যাটেল এবং কংগ্রেস সভাপতি পট্টভি সীতারামাইয়াকে নিয়ে কংগ্রেস একটি কমিটি গঠন করে।
এই কমিটিও সেই সময়ে ভাষাভিত্তিক রাজ্য গঠনের বিপক্ষে রিপাের্ট দেয়। এই অবস্থায় ভাষাভিত্তিক রাজ্য গঠনের
দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়। পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় সরকার মাদ্রাজ প্রদেশের তেলেগু ভাষাভাষী অঞলগুলি
একত্রিত করে পৃথক  অন্ধ্রপ্রদেশ গঠন করে। তামিল ভাষাভাষীদের জন্য সৃষ্টি হয় তামিলনাড়ু।  অন্ধ্রপ্রদেশের সাফল্যে
উৎসাহিত হয়ে অন্যান্য ভাষাগােষ্ঠীগুলিও নিজেদের জন্য আলাদা রাজ্য দাবি করতে থাকে।

মাধ্যমিক ইতিহাস ৮ নম্বরের প্রশ্ন ও উত্তরঃ

মহাবিদ্রোহের (১৮৫৭) চরিত্র বিশ্লেষণ কর।

উঃ ৫.২) মহাবিদ্রোহের (১৮৫৭) চরিত্র :-

১৮৫৭ খ্রীষ্টাব্দে মহাবিদ্রোহ সংঘটিত হওয়ার পর থেকে এই বিদ্রোহের চরিত্র নিয়ে নানা মতবাদ উত্থাপিত হয়েছে।
বেশির ভাগ ব্রিটিশ লেখক একে সিপাহী বিদ্রোহ বলে মেনে নিলেও কারাে কারাের কাছে এটা একটা জাতীয় বিদ্রোহ।।
অনেকে মনে করেন এটা সামন্ত বিদ্রোহ ছাড়া আর কিছুই নয়। ব্রিটিশ সেনা-জেনারেল আউট্রাম একে ‘মুসলমানদের।
ষড়যন্ত্র বলেছেন।

সিপাহী বিদ্রোহ :-

স্যার চার্লস রেকস, জন সিলি, আল রবার্টস প্রমুখদের মতে ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহ ছিল সিপাহী বিদ্রোহ।
সমকালীন বিদধ ভারতীয়দের মধ্যে হরিশ চন্দ্র মুখােপাধ্যায়, দাদাভাই নৌরজি, অক্ষয় কুমার সরকার, ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
প্রমুখেরা এই বিদ্রোহকে সিপাহী বিদ্রোহ বলে মেনে নিয়েছেন। উঃ রমেশচন্দ্র মজুমদার তার ‘Sepoy Mutiny and

the Revolt of 1857’ গ্রন্থে এই বিদ্রোহকে সিপাহী বিদ্রোহ বলেছেন। এ বিষয়ে তাদের মতামতগুলি হল—
i) বিপ্লবীদের কোনাে পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই এই বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল।

ii)  বিপ্লবীদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এক ছিল না।

(iv) মহাবিদ্রোহের শতবার্ষিকী সভায় রমেশচ মজুমদার বলেছেন -“The so called First national war of
independence in 1857 is neither First nor national nor war of independence.”

জাতীয় বিদ্রোহ :- ডিসরেলি নটন, ডাফ, হােমস প্রমুখেরা ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহকে জাতীয় বিদ্রোহ বলেছেন।
প্রিয়ক প|মােদর সাভারকর এই বিদ্রোহকে প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ বলেছেন। এই বিষয়ে তাদের মতামতগলি হল —

(j) পূর্ববর্তী আন্দোলনগুলির তুলনায় ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহে গণ সমর্থন ছিল প্রবল।

(ii) সুরেন্দ্রনাথ সেন স্পষ্ট করে বলেছেন যে বিদ্রোহের নেতা হিসেবে দ্বিতীয় বাহাদুর শাহকে মেনে নেওয়ায় এই
বি.দ্রাহ এক অন্য মাত্রা পায়!

সামন্ত বিদ্রোহ :– রজনীপাম দত্ত, এরিখ স্টোকস, জওহরলাল নেহের, সুরেন্দ্রনাথ সেন, প্রমুখেরা এই বিদ্রোহকে সনাতন পন্থীদের বিদ্রোহের সাথে তুলনা করে একে সামন্ত বিদ্রোহ বলেছেন। জওহরলাল নেহেরু তার ‘Discovery
of india’ গ্রন্থে এই বিদ্রোহকে সনাতন পন্থীদের বিদ্রোহ বলেছেন।

মূল্যায়ন :- অবশেষে উল্লেখ্য যে সকল ভারতীয়দের মধ্যে জাতীয়তাবাদের ভাবধারা গড়ে ওঠেনি। শিখ, গোর্খা, রাজপুত প্রভৃতি জাতিগুলিও  এই বিদ্রোহ থেকে দূরে ছিল। সুশােভন সরকার বলেছেন ‘হজরত মহল, কুনওয়ার সিং, লক্ষ্মীবাঈ প্রভৃতি সামন্ত জমিদার ও তালুকদারদের হাতে বিদ্রোহের নেতৃত্ব ছিল বলে একে প্রতিক্রিয়াশীল অ্যাখ্যা দেওয়া যায় না।’ কিন্তু একথা অস্বীকার করা যায় না যে, নানা ত্রুটি-বিভাজন সত্ত্বেও এই বিদ্রোহের গণচরিত্রের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। ফিরিঙ্গিদের বিরুদ্ধে হিন্দু-মুসলমানের সমন্বিত বিদ্রোহের মধ্যে জাতীয়তাবাদের প্রাথমিক রূপটিকেও অস্বীকার করা যায় না।

সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনে নারীদের ভূমিকা বিশ্লেষণ কর।

উঃ উনিশ শতকের শেষার্ধ থেকে ভারতবর্ষের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে নারীসমাজের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ করা
যায়। ভারতের বিপ্লবীদের অনুপ্রেরণা যােগাতেন ভগিনী নিবেদিতা। যুগান্তর ও অনুশীলন সমিতির সাথে তার প্রত্যক্ষ।
যােগ ছিল। ভারতের বিপ্লববাদের জননী মাদামকামা ভারতের বাইরে সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলন সংগঠন ভূমিকা নেন।।
অহিংস অসহযােগ আন্দোলন শুরু হওয়ার পরবর্তীকালে দীপালি সংঘের মহিলা সদস্যরা যেমন—প্রীতিলতা
ওয়াদ্দেদার, কল্পনা দত্ত সহ অনেকেই সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনে যুক্ত হয়ে পড়েন।

বিশ শতকে ব্রিটিশবিরােধী আন্দোলনে নারীদের শামিল করার কাজে সুভাষচন্দ্রের ঘনিষ্ঠ চরম বামপন্থী রাজনীতিক
লীলা নাগ (রায়)-এর অসামান্য অবদান রয়েছে। ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে ঢাকায় ‘দীপালি সংঘ’ নামে একটি নারী সংগঠনের
প্রতিষ্ঠা করেন। প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ছিলেন দীপালি সংঘের অন্যতম সদস্যা এই সংঘের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ
বিরােধী স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য নারীদের প্রস্তুত করে তােলা। এখানে লাঠি খেলা, শরীরচর্চা, অস্ত্র চালনা
প্রভৃতি শিক্ষণ দেওয়া হত।

প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার মাস্টারদা সূর্য সেনের সশস্ত্র বিপ্লবী দলে যােগ দিয়েছিলেন। তিনি টেলিগ্রাফ ও টেলিফোনের
অফিস ধ্বংস, পুলিশ লাইন দখল, জালালাবাদ পাহাড়ের যুদ্ধ প্রভৃতি কর্মকাণ্ডে অংশ নেয়। মাত্র ২১ বছর বয়সে
প্রীতিলতার মৃত্যু হয় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার আগেই তিনি পটাসিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মহত্যা করেন।

১৯২০-র দশকের অন্যতম নেত্রী ছিলেন কল্পনা দত্ত। তিনি ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দে ইন্ডিয়ান রিপাবলিকান আর্মির চট্টগ্রাম
শাখায় যােগ দেন। তিনি ইউরােপীয় ক্লাব আক্রমণের দায়িত্ব পান। কিন্তু আক্রমণের এক সপ্তাহ আগেই পুলিশের হাতে
ধরা পড়েন।

তবে সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনে নারীদের অংশগ্রহণের বিষয়ে দেখা যায় যে মূলত শিক্ষিত নারীরাই এই আন্দোলনে
যােগ দিয়েছিলেন। তাছাড়া নারীদের বিপ্লবী আন্দোলনে বাংলাই সবচেয়ে এগিয়ে ছিল।

WBBSE History Suggestion 2020 | Class x History Suggestion 2020

এছাড়াও দেখুন( ৮ নম্বরের প্রশ্ন)

১। উনিশ শতকে বাংলায় সমাজ সংস্কার আন্দোলনে ব্রাহ্মসমাজ গুলির ভূমিকা কিরূপ ছিল?
২। ঊনবিংশ শতকের নবজাগরণের যুগ বলা হয়? এই জাগরণকে নবজাগরণ বলা কতটা যুক্তিযুক্ত তা আলোচনা করো।
৪। সমাজ সংস্কার ও শিক্ষার প্রসারে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান আলোচনা করো।
৫। শিক্ষা বিস্তারে প্রাচ্যবাদী এবং পাশ্চাত্য বাদী বিতর্ক কি? উচ্চ শিক্ষার বিকাশে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা কি?
৬। উনিশ শতকে বাংলার নবজাগরণের প্রকৃতি আলোচনা করো।
৭। স্বামী বিবেকানন্দের ধর্ম সংস্কারের অভিমুখ কী? তার নববিধান এর বৈশিষ্ট্য গুলি আলোচনা করো।
৮। ব্রাহ্ম আন্দোলন এর বিবর্তন বিভাজন এবং বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।

৯। ওয়াহাবি আন্দোলনের উদ্দেশ্য এবং বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।
১০। নীল বিদ্রোহের বৈশিষ্ট্য গুলি আলোচনা করো
১১। কোল বিদ্রোহের কারণ ও ফলাফল আলোচনা করো।
১২। কৃষক বিদ্রোহ রূপে বাংলায় নীল বিদ্রোহের কারণ প্রকৃতি এবং গুরুত্ব আলোচনা করো।
১৩। তিতুমীরের নেতৃত্বে বাংলায় ওয়াহাবি আন্দোলন কিভাবে কৃষক আন্দোলনে পরিণত হয়েছিল তা আলোচনা করো।

১৪। সাঁওতাল বিদ্রোহের কারণ ও ফলাফল আলোচনা করো।
১৫। উনিশ শতকের ভারতে জাতীয়তাবাদী চেতনার ইউরোপীয় প্রেক্ষিত আলোচনা করো।
১৬। ভারতের জাতীয়তা বোধের বিকাশে সাহিত্যিক শিল্পের অবদান আলোচনা করো।
১৭। ১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহের প্রকৃতি আলোচনা করো।
১৮। ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাংলায় বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষার বিকাশ আলোচনা করো।
১৯। মানুষ প্রকৃতি এবং শিক্ষার সমন্বয় বিষয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিন্তার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।
২০। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিক্ষা
দর্শন আলোচনা করো।

২১। অহিংস অসহযোগ আন্দোলনে ভারতীয় শ্রমিকদের ভূমিকা আলোচনা করো।
২২। অহিংস অসহযোগ আন্দোলনে কৃষক সমাজের অংশগ্রহণ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করো।
২৩। ভারত ছাড়ো আন্দোলন পর্বে শ্রমিক আন্দোলন আলোচনা করো।
২৪। আইন অমান্য আন্দোলন পর্বে কৃষক আন্দোলন সম্পর্কে আলোচনা করো।
২৫। বিংশ শতকে ভারতবর্ষে উপনিবেশ বিরোধী আন্দোলনে বামপন্থীদের ভূমিকা আলোচনা করো।
২৬। বঙ্গভঙ্গ বিরোধী এবং ভারত ছাড়ো আন্দোলনে ছাত্রদের ভূমিকা আলোচনা করো।
২৭। সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনে ছাত্রদের ভূমিকা আলোচনা করো।
২৮। সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনে নারীদের ভূমিকা আলোচনা করো।
২৯। বাংলায় নমঃশূদ্র আন্দোলন সম্পর্কে আলোচনা করো।
৩০। দলিত অধিকার বিষয়ে মহাত্মা গান্ধী এবঃ বি আর আম্বেদকর এর পারস্পরিক বিতর্কের দিক গুলি আলোচনা করো।

এছাড়াও দেখুন(৪ নম্বরের প্রশ্ন)

১। নারী ইতিহাসের উপর টীকা লেখো।
২। বিপিনচন্দ্র পাল তার “সত্তর বৎসর” আত্মজীবনীতে কি ব্যাখ্যা করেছেন?
৩। নতুন সামাজিক ইতিহাস চর্চা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে কেন?
৪। ইতিহাসের তথ্য সংগ্রহে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা ও অসুবিধা গুলি আলোচনা করো।
৫। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “জীবনস্মৃতি” থেকে কিভাবে সেই সময়ের সামাজিক ছবি ফুটে উঠেছে তা লিখো।
৬। ইতিহাসের উপাদান হিসেবে বঙ্গদর্শন এর গুরুত্ব কি?
৭। ইতিহাস চর্চার ক্ষেত্রে স্থানীয় ইতিহাসের গুরুত্ব সম্পর্কে টীকা লেখো।
৮। সামরিক ইতিহাস ও তার গুরুত্ব সংক্ষেপে আলোচনা করো।
৯। বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ও চিকিৎসা শাস্ত্র চর্চার ইতিহাস সম্পর্কে টীকা লেখো।
১০। দেশাত্মবোধের জাগরনে ভারতীয় নাটকের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করো।

সংস্কার : বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা

১। বিবেকানন্দের ধর্ম সংস্কারের আদর্শ আলোচনা করো।
২। ভারতবর্ষে ইংরেজি শিক্ষা বিস্তারের ক্ষেত্রে প্রাচ্য – পাশ্চাত্যবাদী বিতর্ক সম্পর্কে টীকা লেখো।
৩। নারী প্রগতির ক্ষেত্রে বিদ্যাসাগর এবং জ্যোতিবা ফুলের অবদান আলোচনা করো।
৪। বিবেকানন্দের রাজনৈতিক ও সামাজিক মতাদর্শ আলোচনা করো।
৫। নারী শিক্ষার বিস্তারে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান আলোচনা করো।
৬। প্রার্থনা সমাজ সম্পর্কে টীকা লেখো।
৭। পাশ্চাত্য শিক্ষার বিস্তারে রাজা রামমোহন রায়ের ভূমিকা আলোচনা করো।
৮। ডেভিড হেয়ার সম্পর্কে একটি টীকা লেখো।
৯। নীল বিদ্রোহে হিন্দু প্যাট্রিয়ট এর ভূমিকা আলোচনা করো।
১০। ডিরোজিও ও নব্য বঙ্গ আন্দোলন সম্পর্কে টীকা লেখো।

প্রতিরোধ ও বিদ্রোহ: বৈশিষ্ট্য ও বিশ্লষণ ।

১। নীল বিদ্রোহ কেন ঘটেছিল?
২। ফরাজি আন্দোলনের উপর একটি টীকা লেখো।
৩। ওয়াহাবীদের আদর্শ কি ছিল? ভারতবর্ষে ওয়াহাবি আন্দোলনের সূচনা কে করেন? বাংলায় তিতুমীরের আন্দোলনের গুরুত্ব কী?
৪। নীল বিদ্রোহের ফলাফল গুলি লেখো।
৫। সাঁওতাল বিদ্রোহের প্রকৃতি এবং বিস্তার আলোচনা করো।
৬। পাবনার কৃষক বিদ্রোহ সম্পর্কে কি জানো?
৭। কোল বিদ্রোহের গুরুত্ব আলোচনা করো?
৮। মুন্ডা বিদ্রোহের বৈশিষ্ট্য গুলি আলোচনা করো?
৯। সন্ন্যাসী ফকির বিদ্রোহের কারণ এবং ফলাফল লেখো।
১০। চুয়াড় বিদ্রোহের কারণ ও বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।

সংঘবদ্ধতার গোড়ার কথা : বৈশিষ্ট্য ও বিশ্লেষণ

১) মহারানীর ঘোষণাপত্রের (১৮৫৮) ঐতিহাসিক তাৎপর্য কি?
২) 1857 সালের মহাবিদ্রোহের অর্থনৈতিক কারণ গুলি লেখো।
৩। জাতীয়তাবাদের উন্মেষে ভারত সভার ভূমিকা আলোচনা করো।
৪। “আনন্দমঠ” উপন্যাসের মধ্য দিয়ে কিভাবে জাতীয়তাবাদের ধারণা প্রকাশিত হয়েছে তা লেখো।
৫। কে কবে সর্বভারতীয় জাতীয় সম্মেলন আহ্বান করেন এই সম্মেলনের গুরুত্ব আলোচনা করো।
৬। মহাবিদ্রোহের ব্যর্থতার কারণ গুলি আলোচনা করো।

বিকল্প চিন্তা ও উদ্যোগ:

১। উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী ছাপাখানার শিল্পকে কিভাবে বিশ্বমানের করে তোলেন?
২। বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠার পিছনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কি উদ্দেশ্য ছিল তা আলোচনা করো।
৩। বিজ্ঞান গবেষণায় বসু বিজ্ঞান মন্দিরের ভূমিকা আলোচনা করো।
৪। জাতীয় শিক্ষা পরিষদ গঠনের উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য আলোচনা করো।
৫। বাংলা মুদ্রণ এবং প্রকাশনা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ভূমিকা লেখো।
৬। বাংলার কারিগরি শিক্ষার বিকাশে জাতীয় শিক্ষা পরিষদ এর অবদান আলোচনা করো।
৭। “ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কালটিভেশন অফ সায়েন্স” এর প্রতিষ্ঠার পটভূমি আলোচনা করো।
৮। ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিদ্যা শিক্ষার অগ্রগতি উল্লেখ করো।

বিশ শতকের ভারতে কৃষক শ্রমিক ও বামপন্থী আন্দোলন: বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা:

১। বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনে কৃষক সমাজ সক্রিয়ভাবে যুক্ত না থাকার কারণ কি?
২। সর্বভারতীয় রাজনীতিতে প্রবেশের আগে গান্ধীজি পরিচালিত কৃষক আন্দোলনের বিবরণ দাও।
৩। ভারতের বামপন্থার জনক কাকে বলা হয় এবং কেন?
৪। কিষান সভা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য আলোচনা করো।
৫। আইন অমান্য আন্দোলনে উত্তরপ্রদেশের কৃষকদের ভূমিকা আলোচনা করো।
৬। তেলেঙ্গানা আন্দোলনের উপর টীকা লেখো।
৭। ভারত ছাড়ো আন্দোলনে কমিউনিস্ট পার্টির ভূমিকা আলোচনা করো।
৮। মিরাট ষড়যন্ত্র মামলার উপর টীকা লেখো।
৯। ওয়ার্কার্স এন্ড পেজেন্টস পার্টি সম্পর্কে টীকা লেখো।
১০। নিখিল ভারত কিষান সভা সম্পর্কে টীকা লেখো।

বিশ শতকের ভারতে নারী, ছাত্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আন্দোলন : বৈশিষ্ট্য ও বিশ্লেষণ।

১। প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার স্মরণীয় কেন?
২। ভারতের দলিত রাজনীতি উদ্ভবের কারণ আলোচনা করো।
৩। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত বাংলা সশস্ত্র বিপ্লবী কর্মকাণ্ডের অতি সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।
৪। ভারত ছাড়ো আন্দোলনে নারীদের ভূমিকা আলোচনা করো।
৫। রশিদ আলী দিবস পালিত হয়েছিল কেন?
৬। সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনে বেঙ্গল ভলান্টিয়ার্স এর ভূমিকা আলোচনা করো।
৭। মাতঙ্গিনী হাজরা ইতিহাসে স্মরণীয় কেন তা লেখো।
৮। হরিচাঁদ গুরুচাঁদ ঠাকুরের নেতৃত্বে কিভাবে মধু আন্দোলনের বিস্তার ঘটে?
৯। বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনে ছাত্রদের ভূমিকা কি?
১০। অসহযোগ আন্দোলনে ছাত্রদের ভূমিকা আলোচনা করো।

Leave a Comment

Your email address will not be published.

x