Class 8 Bengali (বাংলা অষ্টম শ্রেণি) Model Activity Task part 6

Class 8 Bengali (বাংলা অষ্টম শ্রেণি) Model Activity Task part 6:

Class 8 Bengali (বাংলা অষ্টম শ্রেণি) Model Activity Task part 6

Class 8 Bengali (বাংলা অষ্টম শ্রেণি) Model Activity Task প্রশ্নপত্রঃ

 

১. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :

১.১ ‘তুমি মানুষ হয়ে পাশে দাঁড়াও’ – কার পাশে দাঁড়ানোর এই আহ্বান?

১.২ ‘রমেশ অবাক হইয়া কহিল, ব্যাপার কী?’ – উত্তরে চাষিরা কী বলেছিল?

১.৩ ‘একটি স্ফুলিঙ্গ-হীন ভিজে বারুদের স্তুপ।’ – কাদের দেখে একথা মনে হয়?

১.৪ ‘গাছের জীবন মানুষের জীবনের ছায়ামাত্র।’ – লেখকের এমন মন্তব্যের কারণ কী?

১.৫ ‘তবু নেই, সে তো নেই, নেই রে’ – কী না থাকার যন্ত্রণা পঙ্‌ক্তিটিতে মর্মরিত হয়ে উঠেছে?

১.৬ ‘ছন্দহীন বুনো চালতার’ – ‘বুনো চালতা’কে ছন্দহীন বলা হয়েছে কেন?

২. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো :

২.১ ‘দাঁড়াও’ কবিতার ভাববস্তু আলোচনা করো।

২.২ ‘রমেশ বিস্ময়ে হতবুদ্ধি হইয়া গেল।’ – রমেশের বিস্ময়ের কারণ কী?

২.৩ ‘আমি নেমে পড়লুম তাড়াতাড়ি।’ – কথক কোথা থেকে, কেন নেমে পড়েছিলেন?

২.৪ জীবনের ধর্ম ‘গাছের কথা’ রচনায় কীভাবে ব্যক্ত হয়েছে?

২.৫ ‘কী করে বুঝব, আসলে কী করতে হবে?’ – উদ্ধৃতিটির আলোকে ‘বুকু’ চরিত্রটির অসহায়তার স্বরূপ উদ্ঘাটন করো।

২.৬ ‘আজ সকালে মনে পড়ল একটি গল্প’ – গল্পটি বিবৃত করো।

৩. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :

৩.১ নির্দেশক বা বিবৃতিমূলক বাক্যের একটি উদাহরণ দাও।

৩.২ শূন্যস্থান পূরণ করো :

আবেগসূচক বাক্য
আনন্দ  
বিস্ময়  
উচ্ছ্বাস  
ঘৃণা  

৩.৩ উদাহরণ দাও :

ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য  
সাপেক্ষবাচক সর্বনাম  
সর্বনামের বিশেষণ  
আলংকারিক অব্যয়  
অসমাপিকা ক্রিয়া  

 

Class 8 Bengali (বাংলা অষ্টম শ্রেণি) Model Activity Task part 6 উত্তরপত্রঃ

 

বাংলা অষ্টম শ্রেণি
১/১) কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের লেখা দাঁড়াও কবিতায় কবি মানুষ হিসেবে আমাদের অসহায় দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াতে বা সাহায্য করতে বলেছেন।
২) উত্তরে চাষিরা বলেছিল যে একশ বিঘা জমির ধান জলে ডুবে যাবে,জল বের না করলে তাদের সব ধান নষ্ট হয়ে যাবে ।গ্রামের কোন মানুষ খেতে পাবে না।
৩) কবি অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের লেখা ছন্নছাড়া কবিতা থেকে আলোচ্য অংশটি নেওয়া হয়েছে। এই কবিতায় আলোচ্য উক্তিটির কবির পাড়ার রাস্তায় আড্ডা দেওয়া একদল যুবককে দেখে মনে হয়েছিল।
৪) লেখক জগদীশচন্দ্র বসু গাছকে ভালোবেসে নিবিড় ভাবে তাদের বিভিন্ন দিক গুলি কে পর্যবেক্ষণ করেছেন। এর থেকে তার মনে হয়েছে যে গাছের বৈশিষ্ট্য গুলি মানুষের স্বভাব বৈশিষ্ট্যের মতই। মানুষের মত এদের জীবনেও অভাব-অনটন ও দুঃখ কষ্ট আছে, তাই কবি বলেছেন গাছের জীবন মানুষের জীবনে ছায়ামাএ।
৫) কবি বুদ্ধদেব বসুর লেখা হাওয়ার গান কবিতায় হাওয়াদের কোন নির্দিষ্ট ঠিকানা নেই অর্থাৎ তাদের কোন বাড়িঘর নেই। পৃথিবীর সমস্ত জলাশয় সমুদ্রের শহর-বন্দর বনজঙ্গল খোলা মাঠ সব জায়গায় তারা ঘুরে বেড়ায়। তাই কবি উল্লেখিত বাক্যটির ব্যবহার করেছেন।

২/১) কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের লেখা দাঁড়াও কবিতার বিষয়বস্তু হল- বর্তমান সমাজে মানুষ বড় একাকী এবং অসহায়। তাই এই অসহায় নিপীড়িত অত্যাচারিত মানুষদের সাহায্য করা আমাদের উচিত। সমাজে এক শ্রেণীর মানুষ আছে যারা নিজেদের স্বার্থে মানুষত্ব কে বিক্রি করে দিয়ে মানুষের উপর অত্যাচার করে।
অন্যদিকে আর একজন মানুষ সবসময় সেই অসহায় মানুষদের সাহায্য করে। তাদের ভালবাসে এবং উপকার করে কবি আমাদের এটাই করতে বলেছেন।
পরিশেষে বলা যায় আমাদের পুরো কবিতা জুড়ে কবি একটাই আহ্বান জানিয়েছেন যে অসহায় মানুষের দুঃখ কষ্ট ভাগাভাগি করে নিয়ে তাদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া আমাদের সকলেরই উচিত।
২) রমেশ গ্রামের মানুষদের ধান রক্ষা করার জন্য বাঁধ কেটে জল বের করার জন্য বেনি ঘোষালের কাছে অনুরোধ করেছিল কিন্তু তা ব্যর্থ হয়। তাই রমেশ বিশ্বাস করে রমার কাছে গিয়ে অনুরোধ করেছে। কিন্তু ও রমাকে বিষয়টি জানাতে সে প্রথমে মাছের থাকার ব্যবস্থার কথা বলে। তাছাড়া রমেশ তার প্রস্তাবে রাজি না হলে রমা তাকে বাঁধ কাটতে বারণ করে। রমার মুখে এই কথা শুনে রমেশ হতবুদ্ধি হয়ে যায়।
৩) ছন্নছাড়া কবিতায় কবি নিজের ভদ্রতা ও শালীনতা কে বাঁচাতে চেয়েছিলেন। পথ দুর্ঘটনায় আহত মানুষটিকে ট্যাক্সিতে তোলার পর কবিতার কথক রক্তের দাগ দেখে নিজের জামাকাপড় কে বাঁচানোর জন্য ট্যাক্সি থেকে নেমে পড়লেন।
কিন্তু এই পরিস্থিতিতে কথক ছন্নছাড়া ছেলেদের সম্পর্কে নিজের ভেতর এক নতুন উপলব্ধি লাভ করলেন। কিন্তু কবি অনুভব করলেন এই ছন্নছারা ছেলেরা মানুষের প্রাণ কে বাঁচানোর জন্য যেভাবে ঝাপিয়ে পড়ল তা দেখে কবি বুঝতে পারলেন এই ছন্নছারা সমাজের আবর্জনা নয়। বরং কবির মনে হল তাদের মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে মহান জীবন ধর্ম।
৪) বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু গাছের কথা রচনাটিতে খুব প্রাঞ্জলভাবে গাছেদের জীবনপ্রণালী ব্যাখ্যা দিয়েছেন। লেখক বলেছেন- গাছের শুকনো ডাল দেখে বোঝা যায় না, যে সেই ডাল একদিন ফুল-ফল পাতায় সবুজ ছিল। কিছুদিন পর সেই শুকনো ডাল এর চিহ্ন থাকে না। একটি সবুজ প্রাঞ্জল গাছের সাথে ওই ডালটির তফাৎ অনেক। একটি ক্রমাগত বেড়েই চলেছে অন্যটির গতি বন্ধ হয়ে আছে। প্রথম টিতে জীবনের ধর্ম চলতে থাকে অন্যদিকে শুকনো গাছের ডাল যখন স্বব্ধ তখন তার ক্ষয় হওয়ার পালা। এই ভাবেই লেখক সবুজতা অর্থাৎ জীবিত থেকে জীবনের অন্তিম কালের সুন্দর জীবন ধর্ম ব্যাখ্যা করেছেন।
৫) বকুল বাড়িতে অতিথি এলে তাদের সাথে কেমন ব্যবহার করতে হয় তার কোন ধারণা ছিল না। মা বাবার শিখানো কথামতোই বুকু তার ব্যবহার করতে গেলে অজান্তেই সবার অপমানের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। গল্পের বুকুর চরিত্রটি সত্যিই অসহায় কারণ মা-বাবার কথামতো সদাসত্য কথা বলবে এই উপদেশ ছোট ছেলেটির অবনত ছিল। কোথায় কোন কথা বলা উচিত আর কোন কথা বলা উচিত নয় বুকু স্বাভাবিকভাবে তা বুঝতে পারেনি। গল্পের শেষে বুকু কে আমরা যেভাবে মার খেতে দেখি তাতে সত্যিই বুকুকে অনেক অসহায় মনে হয়। কারণ হাজার জটিলতার মাঝে কিভাবে গুছিয়ে নিতে হয় তা বুকু বুঝতে পারেনি।
৬) নাটোরের মহারাজার নিমন্ত্রনে অবীন্দ্রনাথ তার কাকা রবীন্দ্রনাথ আরো অনেকে মিলে গিয়েছিলেন। সেখানে বাংলা ভাষার প্রচলন উদ্দেশ্যে একটি প্রাদেশিক সম্মেলনে ছিল। সেখানে যাওয়া আসা খাওয়া-দাওয়া থেকে শুরু করে সবকিছুতেই নাটোরের রাজার এলাহিয়াল আয়োজন ছিল।
এরপর শুরু হল সম্মেলন মানুষরা রবিকাকার দলের সবাই। বাংলা ভাষায় সম্মেলন হোক তারা চাইলে দুই দলে ভাগ হয়। কংগ্রেস নেতারা ইংরেজি বক্তৃতা দিলে তা অনেকেই প্রত্যাখ্যান করেন। পরিশেষে শালমোহন ঘোষের বক্তৃতা দিয়ে বাংলা ভাষার লড়াই প্রাথমিকভাবে শেষ হয়।

৩/১) উদাহরণ: আমি শীতলকুচি কলেজে পড়ি।

২) আনন্দ- ফার্স্ট হয়েছে, মিষ্টি খাওয়াও!
বিস্ময়- তোমাকে অবহেলা, ভাবাই যায় না!
উচ্ছ্বাস- স্নেহে আমার হৃদয় গলে যাচ্ছে!
ঘৃণা- ছি:ছি: একি করলে তুমি!

৩) ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য- খেলা
সাপেক্ষ বাচক সর্বনাম- যে কৃষ্ণ সেই শ্যাম
সর্বনামের বিশেষণ- মূর্খ
আলংকারিক অব্যয়- গরিবের আবার রাত দিন
অসমাপিকা ক্রিয়া- আমি বই পড়ে

৪) ক) তুমি পড়াশোনা তে খুবই কাঁচা( অপটু অর্থ)
খ) আজকে কাঁচা আম খাব( অপক্কতা অর্থে)
গ) তুমি বড় কাঁচা কাজ করছ( অদক্ষতা অর্থে)
ঘ) তোমাদের এখন কাঁচা বয়স( অল্প অর্থে)
ঙ) আমি কাঁচা হলুদ রংয়ের জামা পরি( মৃদুতা অর্থে)

ক) তুমি বাস কোটা মাটিতে বসাও( বসানো অর্থে)
খ) তোমার কথা শুনে আমি একহাত বসে গেলাম( দুঃখ প্রকাশ অর্থ)
গ) আমার ব্যবসাটা অনেকটা বসে গেছে এখন( অচল অর্থে)
ঘ) মন্দিরের দরজা আজ বসানো হলো( স্থাপিত অর্থে)
ঙ) তার মুখটা মায়ের মত বসা( অপ্রকাশ অর্থে)

এছাড়া দেখে নাওঃ

Class 8 Science(পরিবেশ ও বিজ্ঞান) Model Task Part 6 (September, 2021)

Class 8 Model Activity Task Geography Part 6 September Answers

Class 8 Model Activity Task History Part 6 Answers(September)

Leave a Comment

Your email address will not be published.

x