Home » Class 7 All Subject Model Activity Task Part 8 (Combined Compilation)

Class 7 All Subject Model Activity Task Part 8 (Combined Compilation)

Class 7 All Subject Model Activity Task Part 8 (Combined Compilation): If you are a WB Class 7 student and looking for All Subject Model Activity Task PART 8 Solutions, then here is the right place for you. We have collected here best answers for class 7 Model Activity Combined Compilation Model Task prepared by experience teachers.

Class 7 All Subject Model Activity Task Part 8 (Combined Compilation)

 

model activity task class 7 math part 8,model activity task bhugol class 7 part 8,class 7 english model activity task part 8,class 7 bengali model activity task part 8,model activity task class 7 geography part 8,class 7 model activity task geography part 8,model activity task class 7 part 8 geography, class 7 geography model activity task part 8,class 7 science model activity task part 8,model activity task class 7 science part 8

 

Class 7 All Subject Model Activity Task Part 8 (Combined Compilation):

 

Check Here: Class 7 English Model Activity Compilation(Combined) Part 8

Download PDF Class 7 Math Model Activity Task Part 8 (Direct Download) 

বাংলা

সপ্তম শ্রেণী

পূর্ণমান- ৫০

১. ঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখো :

১.১ ‘পাগলা গণেশ’ গল্পে গণেশের বয়স

(ক) একশো বছর

(খ) দেড়শো বছর

(গ) একশো পঁচাত্তর বছর

(ঘ) দুশো বছর

উত্তর : (ঘ) দুশো বছর

১.২ কোকনদ’ হলো

(ক) শ্বেতপদ্ম

(খ) রক্তপদ্ম

(গ) নীলপদ্ম

(ঘ) হলুদ পদ্ম

উত্তর :  (খ) রক্তপদ্ম

১.৩ ‘পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল’ – কবিতাটির রচয়িতা

(ক) আশরাফ সিদ্দিকী

(খ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

(গ) মদনমোহন তর্কালঙ্কার

(ঘ) যোগীন্দ্রনাথ সরকার

উত্তর :  (গ) মদনমোহন তর্কালঙ্কার

১.৪ শ্রদ্ধেয় রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে রামকিঙ্কর বেইজের পরিচয় হয়

(ক) মেদিনীপুরে

(খ) বীরভূমে

(গ) বাঁকুড়ায়

(ঘ) কলকাতায়

উত্তর :  (গ) বাঁকুড়ায়

১.৫ খোকনের বাড়ির সামনেই ছিল একটি

(ক) বটগাছ।

(খ) ইউক্যালিপটাস গাছ

(গ) নারকেল গাছ

(ঘ) বকুল গাছ

উত্তর : (খ) ইউক্যালিপটাস গাছ

২. খুব সংক্ষেপে নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :

২.১ ‘তা আপনার কবিতা শুনছেই বা কে আর পড়ছেই বা কে?’ – একথার উত্তরে শ্রোত কী বলেছিলেন?

উ:- উপরে উল্লেখিত লাইনটি শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের লেখা পাগলা গনেশ নামক গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে। প্রশ্নে উল্লেখিত প্রশ্নটি পাগলা গণেশ কে করা হয়েছিল।

এই প্রশ্নের উত্তরে শ্রোতা অর্থাৎ পাগলা গনেশ বলেন আকাশ শুনছে, বাতাস শুনছে এবং প্রকৃতি শুনছে। কাগজে লেখা সেই কবিতাগুলি ভাসিয়ে দিচ্ছে বাতাসে যদি কেউ কুড়িয়ে পায় আর সেটা করতে আগ্রহ প্রকাশ করলে তাহলে সে পড়বে।

২.২ My Native Land, Good night!”

– উদ্ধৃতিটি কার রচনা থেকে নেওয়া হয়েছে ?

উ:- উদ্দীপ্ত লাইনটি মাইকেল মধুসূদন রচিত বঙ্গভূমির প্রতি কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।

My Native Land, Good night!’ – উক্তিটি বায়রনের লেখা।

২.৩ একুশের কবিতায় কোন্ কোন্ গানের সুরের প্রসঙ্গ রয়েছে?

উ:- আশরাফ সিদ্দিকীর একুশের কবিতা নামক কবিতায় “পাখি সব করে রব” মাতৃভূমি বাংলাদেশ ভাটিয়ালি, জারী সারী এমনকি ছোটবেলায় মায়ের মুখে শোনার নানান গানের কলি প্রভৃতি সুরের প্রসঙ্গ রয়েছে।

২.৪ ‘অত বড়ো একজন শিল্পীর কাছে শিক্ষালাভ করেছি, আমার সৌভাগ্য। – কার স্মৃতিচারণায় কথক একথা বলেছেন?

উ:- প্রশ্ন উল্লেখিত লাইনটি রামকিঙ্কর বেইজ রচিত আত্মকথা প্রবন্ধ থেকে নেওয়া হয়েছে।

২.৫ ‘খোকন অবাক হয়ে গেল। – কোন্ কথা শুনে খোকন অবাক হলো ?

উ:- লাইনটি বনফুল রচিত খোকনের প্রথম ছবি গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে।

খোকনের বাবার একজন বন্ধুও বিখ্যাত চিত্রকর, তিনি লখনৌ শহরের থাকতেন। একদিন তিনি খোকন দের বাড়িতে এসেছিলেন এবং খোকনের ড্রইং খাতা গুলো দেখে বললেন খোকনের নিজের আঁকা ছবি তো নেই। সব নকল করা ছবি সে যদি ক্যামেরা দিয়ে ছবি তোলে তবে তা আরও নিখুঁত হবে। এই কথাগুলো শুনে খোকন অবাক হয়ে গেল নিজের আঁকা ছবি সে কি করে আঁকবে তা ভেবে।

৩. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো :

৩.১ ‘জীবন হবে পদ্যময়

– জীবন কীভাবে পদ্যময় হয়ে উঠবে বলে কবি মনে করেন?

উ:- বিখ্যাত কবি অজিত দত্তের ছন্দে শুধু কান রাখো কবিতার কবি সমগ্র কবিতাতেই ছন্দের প্রতি মনোযোগ দেওয়ার কথা বলেছেন।কোভিদ মতে পরিবেশ অহরহই ঘটে চলেছে কোনো না কোনো ঘটনা। কোন টি প্রাকৃতিক আবার কোনোটি যান্ত্রিক। কিন্তু প্রতিটি ঘটনারই রয়েছে নির্দিষ্ট ছন্দ। সঠিকভাবে আমরা মনোনিবেশ করতে পারি না তাই আমাদের জীবনে প্রকৃত আনন্দ থাকে না। একাগ্রচিত্তে কান পেতে পরিবেশের ছন্দ বুঝতে পারলে কোভিদ মতে আমাদের জীবনটা আনন্দে পরিপূর্ণ অর্থাৎ পদ্যময় হয়ে উঠবে।

৩.২ ‘কুতুব মিনারের কথা’ রচনাংশ অনুসরণে কুতুব মিনারের নির্মাণ শৈলীর বিশিষ্টতা আলোচনা করো। |

উ:- কুতুবমিনার এর পূর্ববর্তী কালীন অন্য কোন মিনারে নিদর্শন শুধুই এদেশের নয় ইরান তুরানেও নেই। এটি সম্রাট কুতুবউদ্দিন আইবেক নির্মিত এক বিজয় স্তম্ভ। কুতুব পাঁচতলার নির্মাণ। প্রথম তলায় আছে বাঁশি ও কোণ এর নকশা। কুতুবে দ্বিতীয় তলায় আছে শুধু বাঁশি আর তৃতীয় তলায় শুধু কোনের নকশা। চতুর্থ ও পঞ্চম তলা তে কি ছিল তা জানা সম্ভব নয় কারণ তা বজ্রাঘাতে ভেঙে গিয়েছিল। মিনারটির গায়ে কারুকার্য অতি অদ্ভুত। সমস্ত মিনার থেকে কোমর বন্ধন এর মতো ঘিরে রয়েছে সারি সারি লতাপাতা ফুলের মালা এবং চক্রে নকশা আর দেয়ালে আরবি লেখার সারি। গোটা মিনারটির পরিকল্পনা মুসলমানদের আর যাবতীয় কারুকার্য রয়েছে হিন্দুদের। তাছাড়া কুতুব মিনারের মিনার এর গুলি অপ্রতিদ্বন্দ্বী।

৪. নির্দেশ অনুসারে উত্তর দাও :

৪.১ ‘খাটি দেশি শব্দ’ বলতে কী বোঝ?

উ:- বাংলা ভাষাভাষীদের ভূখন্ডে অনেক আদিকাল থেকে যারা বাস করতো, সেইসব আদিবাসীদের ভাষায় যে সব শব্দ বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে, সে সব শব্দকে বলা হয় খাঁটি দেশি শব্দ।

৪.২ ‘তদ্ভব শব্দ’ কীভাবে গড়ে উঠেছে?

উ:- বাংলা ভাষা গঠনের সময় প্রাকৃত বা অপভ্রংশ থেকে যে সব শব্দ পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছিল, সেগুলোকেই বলা হয় তদ্ভব শব্দের মূল অবশ্যই সংস্কৃত ভাষায় থাকতে হবে। অর্থাৎ যে সব শব্দ সংস্কৃত থেকে পরিবর্তিত হয়ে প্রাকৃত বা অপভ্রংশে ব্যবহৃত হয়েছিলো, পরে আবার প্রাকৃত থেকে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় গৃহীত হয়েছে, সেগুলোকেই বলা হয় তদ্ভব শব্দ। এভাবেই তদ্ভব শব্দ গোরে উঠেছে।

৪.৩ অর্ধ-তৎসম বা ভগ্ন-তৎসম শব্দের দু’টি উদাহরণ দাও।

উ:- কুৎসিত > কুচ্ছিত

গৃহিণী > গিন্নী

৪.৪ ‘বাঙালি পদবির ইংরেজি ধরনের উচ্চারণে হ্রস্বস্বরচিহ্ন হবে। – উদাহরণ দাও।

উ:- গাঙ্গুলি (গাঙ্গুলী দীর্ঘকার হবে না)

চ্যাটার্জি ( চ্যাটার্জী দীর্ঘকার হবে না)

৫. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :

৫.১ ‘ঋ, র, য এই তিন বর্ণের পরের শব্দের মধ্যে ন >ণ হয়। প্রতিক্ষেত্রে একটি করে উদাহরণ দাও।

উ:- ঋণ, বর্ণ, স্মরণ, বরণ, তৃণ, শীর্ণ ঘৃণা ইত্যাদি ।

৫.২ ‘পিতৃ ও মাতৃ শব্দের সঙ্গে স্বস্ শব্দের যোগ হলে স্বসৃ শব্দের প্রথম স্ হয় য’। – উদাহরণ দাও।

উ:- মাতুঃষ্বাসা বা মাতৃষ্বাসা [ মাতুঃ + স্বস্, মাতৃ + স্বস্ ] – এর বাংলা অর্থ হলো – মায়েরভগিনি, মাসি ।

পিতৃস্বাসা( পিতৃ + স্বস্)- এর বাংলা অর্থ হলো- বাবার ভাই- কাকু, জেঠু ।

৫.৩ ভাবপ্রকাশক ধ্বন্যাত্মক শব্দের প্রয়োগে একটি বাক্য রচনা করো।

উ:- কনকনে শীত আমি একদম পছন্দ করি না। এখানে কনকনে হলো ভাবপ্রকাশ ধন্যাত্মক শব্দ।

৫.৪ শূন্যস্থান পূরণ করো : ___________ > তিত > তেতো।

উ:- তিক্ত > তিত > তেতো ।

৫.৫ বানান সংশোধন করো : পূরষ্কার।

উ:- পূরষ্কার > পুরস্কার ।

৬. পত্র রচনা করো :

তোমাদের অঞ্চলে একটি পাঠাগার স্থাপনের অনুরোধ জানিয়ে ব্লক উন্নয়ন আধিকারিকের কাছে একটি আবেদনপত্র লেখো।

উ:-

মাননীয় / মাননীয়া,

সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক

গ্রাম: মিরাপাড়া

পোস্টঃ গোলেনাওহাটি

জেলাঃ কোচবিহার

 

বিষয়ঃ মিরাপাড়ায় একটি পাঠাগার স্থাপনের জন্য আবেদন।

 

মহাশয় / মহাশয়া,

আপনার নিকট সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমাদের গ্রাম মিরাপাড়ায় উচ্চবিদ্যালয় ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীসহ জনসংখ্যা প্রায় দশ হাজারের ওপরে। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হচ্ছে, এখানে কোনো পাঠাগার নেই। শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, মানসগঠন ও সৃজনশীল চেতনা বিকাশে একটি পাঠাগার খুবই প্রয়োজন। তাছাড়া এলাকায় দৈনিক পত্রিকা ও সাময়িক পত্র-পত্রিকা পড়ারও কোনো ব্যবস্থা নেই। এখানে একটি পাঠাগার হলে তরুণরাও তাদের অলস সয়ককে জ্ঞানচর্চার মতো প্রয়োজনীয় কাজে ব্যয় করতে পারবে।

অতএব, মিরাপাড়ায় সকল বয়সের জনসাধারনের উপকারের কথা বিবেচনা করে অতিসত্ত্বর এখানে একটি পাঠাগার স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আপনাকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।

ধন্যবাদান্তে

গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে

স্থানঃ মিরাপাড়া

তারিখঃ 27/10/2021

পরিবেশ ও ইতিহাস

সপ্তম শ্রেণী

পূর্ণমান- ৫০

 

১. ‘ক’ স্তম্ভের সাথে ‘খ’ স্তম্ভ মেলাও :

উ:-

স্তম্ভ স্তম্ভ
১.১ খলিফার অনুমোদন (গ) ইলতুৎমিশ
১.২ সিজদা ও পাইবস (ক) গিয়াসউদ্দিন বলবন
১.৩ বাজারদর নিয়ন্ত্রণ ঘ) আলাউদ্দিন খলজি
১.৪ আমুক্তমাল্যদ (খ)কৃষ্ণদেব রায়

 

২. বেমানান শব্দটির নিচে দাগ দাও :

২.১ বিজয়ালয়, দন্তিদুর্গ, প্রথম রাজরাজ, প্রথম রাজেন্দ্র

উ:- দন্তিদুর্গ

২.২ বরেন্দ্র, হরিকেল, কনৌজ, গৌড়

উ:- কনৌজ

২.৩ হলায়ুধ, জয়দেব, গোবর্ধন, উমাপতিধর

উ:- গোবর্ধন

২.৪ প্রতাপাদিত্য, কেদার রায়, ইশা খান, বৈরম খান

উ:- বৈরম খান

৩. শূন্যস্থান পূরণ করো :

৩.১ বন্দেগান-ইচিহলগানির সদস্য ছিলেন সুলতান ___গিয়াসউদ্দিন বলবন ________ ।

৩.২ বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান ছিলেন _____সুলতান শামসউদ্দিন ইলিয়াস শাহ ______

৩.৩ পোর্তুগিজ পর্যটক ___পেজ________ বিজয়নগর পরিভ্রমন করেন।

৩.৪ বিজয়নগর পরাজিত হয়েছিল ____১৫৬৫ খ্রি: তালিকোটার _______ যুদ্ধে।

৪.. সত্য বা মিথ্যা নির্ণয় করো :

৪.১ ‘দাগ’ ও ‘হুলিয়া’ ব্যবস্থা চালু রাখেন শেরশাহ।

উ:- সত্য

৪.২ ১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দে হলদিঘাটির যুদ্ধে আকবর রানা প্রতাপকে পরাজিত করেছিলেন।

উ:- সত্য

৪.৩ মনসবদারি ও জায়গিরদারি ব্যবস্থা বংশানুক্রমিক ছিল।

উ:- মিথ্যা

৪.৪ রাজিয়া তার মুদ্রায় নিজেকে ‘সুলতান’ বলে দাবি করেছেন।

উ:- সত্য

৫. দুই-তিনটি বাক্যে উত্তর দাও :

৫.১ ‘দীন-ই ইলাহি’ কী?

উ:- খ্রিস্টীয় ১৫৭০ – এর দশকে মুঘল সম্রাট আকবর ফতেপুর, সিকরিতে নানান ধর্মের গুরুদের ডেকে ধর্মীয় নানা বিষয়ে আলোচনা করতেন। এই সব আলোচনার ভিত্তিতে তিনি দীন – ই ইলাহি’ নামে এক নতুন – মতাদর্শ চালু করেন ফারসি শব্দ ‘দীন – ই – ইলাহি ‘-র অর্থ হলো ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস, আবুল ফজল ও বাউনি, এই ধর্মমতকে তৌহিদ – ই- ইলাহি বা স্বগীয় একেশ্বরবাদ’ বলে উল্লেখ করেছেন।

আকবর বিভিন্ন ধর্ম থেকে নিজের পছন্দ মতো কিছু কিছু বৈশিষ্ট্য | বেছে নিয়ে তার ওপর ভিত্তি কবে দীন-ই ইলাহি তৈবি কবেন। তিনি নিজের সভাসদদের মধ্যে এর প্রচলন করেছিলেন। বেশ কিছু অনুষ্ঠান ও রীতিনীতির মধ্যে দিয়ে তারা বাদশাহের প্রতি | সম্পূর্ণ অনুগত থাকার শপথ নিত। এই হলো দীন-ই-ইলাহি।

৫.২ ‘মনসব কী?

উ:- আকবর সামরিক ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন করেন। সেটি ছিল তার মনসবদারি ব্যাবস্থা। আকবরের শাসনব্যবস্থায় প্রশাসনিক পদগুলিকে বলা হতো মনসব।

৬. চার-পাঁচটি বাক্যে উত্তর দাও :

৬.১ পাল-সেন যুগে কেমন ভাবে কর আদায় করা হত?

উ:-

ভূমিকা : পাল ও সেনযুগে রাজারা বিভিন্ন ধরনের কর সংগ্রহ করতেন।

1. কৃষি কর : রাজারা উৎপন্ন ফসলের এক-ষষ্ঠাংশ (১/৬ ভাগ)। কৃষকদের কাছ থেকে কর নিতেন। তাঁরা নিজেদের ভোগের জন্য ফুল, ফল, কাঠ ও প্রসাদের কাছ থেকে কর হিসাবে আদায় করতেন।

2. বাণিজ্য কর : বণিকরা তাদের ব্যাবসাবাণিজ্য করার জন্য বাসাকে কর দিত।

3. অন্যান্য কর : এছাড়াও প্রজারা নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য রাজাকে কর দিত। সমগ্র গ্রামের উপবেও কর দিতে হতো গ্রামবাসীদের। হাট ও খেয়াঘাটের , উপবে কর চাপানো

হতো৷

৬.২ সেন রাজারা কি সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন?

উ:- বাংলার সেন বংশের রাজা লক্ষণ সেন ছিলেন সাহিত্যানুরাগী। অনেক কবি ও সাহিত্যিক তাঁর রাজসভা অলংকৃত করতেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন –

(১) কবি জয়দেব: লক্ষণ সেনের সভাপতি জয়দেব ছিলেন বিখ্যাত সাহিত্যিক। তাঁর রচিত কাব্যের নাম হলও “গীতগোবিন্দ’। এই কাব্যের বিষয় ছিল রাধাকৃষ্ণের প্রেমের কাহিনি।

(২)ধোয়ী : তাঁর রাজসভার আর এক কবি ধোয়ী লিখেছিলেন ‘পবনদূত” কাব্য।

(৩) পঞ্চরত্ন : জয়দেব ও ধোয়ীসহ আরও তিনজন গোবর্ধন, উনাপতি ধর এবং শরণ লক্ষণ সেনের সভা অলংকৃত করেছিলেন। এই পাঁচজন কবিকে একত্রে “পঞ্চব” বলা হয়।

(৪) এছাড়াও লক্ষণ সেনের মন্ত্রী হলায়ুধ বৈদিক নিয়ম বিষ “ব্রাহ্মণ সর্বস্ব” নামে একটি বই লিখেছিলেন। লক্ষণ সেন নিজেও পিতার অসমাপ্ত “অদ্ভুতসাগর” বইটি সমাপ্ত করেন।

৬.৩ ইকতা ব্যবস্থা কী?

উ:- নির্দিষ্ট অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীরা সুলতানের নির্দেশে রাজস্ব আদায় করার অধিকার পেতেন। পরবর্তীকালে সাম্রাজ্যের আয়তন বেড়ে গেলে সুলতানরা যে সব রাজ্য জয় করতেন, সেই | রাজ্যগুলির দায়িত্ব এক একজন সামরিক নেতার উপর দিতেন। এই রাজ্যগুলিকে এক একটি প্রদেশে ধরে নেওয়া হত, এগুলিকে বলা হত ইকতা৷ ইকতার দায়িত্বে যিনি থাকতেন তাকে বলা হত ইকতাদার বা ওয়ালি ।

৬.৪ খলজি বিপ্লব বলতে কী বোঝ?

উ:- ১২৯০ খ্রিঃ হিন্দুস্থানি মুসলিমদের নেতা ও সাম্রাজ্যের প্রধান সেনাপতি জালালউদ্দিন খলজি বলবনের বংশধর অসুস্থ কায়কোবাদ ও শিশু কায়ুমার্সকে হত্যা করে দিল্লির সুলতান হন| এই ঘটনাকে বলা হয় “খলজি বিপ্লব’| এর ফলে দিল্লিতে তুর্কি অভিজাতদের ক্ষমতা চলে যায়| তার বদলে খলজি তুর্কি ও হিন্দুস্তানিদের ক্ষমতা বেড়ে গিয়েছিল।

৬.৫ ‘দাক্ষিণাত্য ক্ষত’ বলতে কী বোঝো?

উ:- খ্রিস্টীয় সপ্তদশ শতকে ঔরঙ্গজেবের সময়ে মারাঠাদের শক্তি অনেক বেড়ে গিয়েছিল। ঔরঙ্গজেব ভেবেছিলেন যে দক্ষিণী 1 রাজ্যগুলিকে জয় করতে পারলে সেখানে থেকে অনেক বেশি রাজস্ব আদায় করা যাবে। তার সঙ্গে মারাঠাদের দমন করাও সহজ হবে। ঔরঙ্গজেবের আমলে মুঘলরা বিজাপুর ও গোলাকোন্ডা দখল করেছিল। মুঘল সাম্রাজ্যের আয়তন এত বড়ো আগে। কখনো হয়নি। কিন্তু বাদশাহ যা ভেবেছিলেন তা হলও না। তার বদলে বহু বছরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে মুঘলদের অনেক আর্থিক ক্ষতি হলো দাক্ষিণাত্য যুদ্ধের এই ক্ষত আর সারলো না। মারাঠা। নেতা শিবাজীকেও স্বাধীন রাজা বলে মেনে নিতে হলো।

ঔরঙ্গন্ধোন পেষে দা পঁচিশ বছর ধবে যুদ্ধ কবে ঔরঙ্গজেব শেষে | দাক্ষিণাত্যেই মারা গেলেন (১৭০৭ খ্রিঃ)

৭. আট-দশটি বাক্যে উত্তর দাও :

৭.১ বখতিয়ার খলজির বাংলা আক্রমণের পর বাংলাতে কি কি পরিবর্তন ঘটেছিল?

উ:- বখতিয়ার খলজি বাংলা আক্রমন করলে লক্ষণ সেন কোন প্রতিবোধ না কবে পূর্ববঙ্গে চলেযান। ফলে বখতিয়ার | খলজি সহজে বাংলা দখল করে নেন। তিনি লক্ষণাবতী অধিকার | কবে নিজের রাজধানী

স্থাপন করেন। এই শহরকে সমকালীন ঐতিহাসিকরা লখনৌতি। বলেছেন। এরপর বখতিয়ার খলজি তার রাজ্যকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করেন। প্রত্যেক ভাগের জন্য একজন করে শাসনকর্তা নিযুক্ত করেন। এরা ছিলেন তার সেনাপতি। তিনি মসজিদ, মাদ্রাসা এবং সুফি সাধকদের আস্তানা তৈরি করেন। তার আমলে রাজ্যের সীমানা উত্তরে দিনাজপুর জেলার দেবকোট থেকে রংপুর, দক্ষিনে পাদ্মানদী, পূর্বে তিস্তা ও করতোয়া নদী, এদের পশ্চিমে বিহার পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।।

৭.২ কৃয়দেব রায়কে কেন বিজয়নগরের শ্রেষ্ঠ শাসক বলা হয়?

উ:- কৃষ্ণদেব রায় ছিলেন বিজয়নগরেব রাজ্যের বিখ্যাত শাসক। তার রাজত্বকালে বিজয়নগরের গৌরব সবথেকে বেড়েছিল। সে সমযে সাম্রাজ্যের সীমা বেড়েছিল। অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রসার হয়েছিল। এছাড়াও শিল্প-সাহিত্য, সংগীত এবং দর্শনশাস্ত্রের উন্নতি তার সময় লক্ষ্য করা যায়। কৃষ্ণদেব রায়। নিজেও একজন সাহিত্যিক ছিলেন। তেলেগু ভাষায় লেখা আমুক্তমাল্যদ গ্রন্থে তিনি রাজার কর্তব্যের কথা লিখেছেন। রাজা কৃষ্ণদেব রায় ছিলেন বিষ্ণুর উপাসক। কিন্তু তা সত্বেও খ্রিস্টান মুসলমান বৌদ্ধ শিখ জৈন প্রভৃতি বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষেরাও স্বাধীনভাবে তাদের ধর্মাচরণ পালন করতে পারত। বিজয়নগরের রাজাদের মধ্যে তিনি সর্বাপেক্ষা পন্ডিত এবং সর্বোত্তম একজন মহান শাসক এবং সুবিচারক সাহসী সর্বগুনম্বিত | ছিলেন, একথা বলেছিলেন পর্তুগিজ পর্যটক পেজ। এই সমস্ত । কারণগুলোর জন্যই কৃষ্ণদেব রায়কে বিজয় নগরের শ্রেষ্ঠ শাশাক বলা হয়।

৭.৩ শেরশাহের যে-কোনো দুটি প্রশাসনিক সংস্কার সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখো।

উ:- ভূমিকা – সম্রাট শের শাহ ছিলেন বিজেতা হিসেবে শ্রেষ্ঠ, আর শাসক হিসেবে শ্রেষ্ঠতম। দিল্লির শাসক হিসেবে তিনি মাত্র ৫ বছর (১৫৪০-১৫৪৫ খ্রি.) রাজত্ব করেছিলেন। কিন্তু এই অল্প সময়ের মধ্যেই শাসনব্যবস্থার সর্বত্র তিনি কৃতিত্বের স্বাক্ষর বেখেছিলেন। তাঁর শাসনব্যবস্থার মধ্যে অনেক মানবিক চিন্তার পরিচয় পাওয়া যায়৷

১.ভূমিরাজস্ব : ভূমিরাজস্ব ব্যবস্থার ক্ষেত্রে শের শাহ অনন্য প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি পাট্টা’ ও ‘কবুলিয়ত’ ব্যবস্থা চালু করেন। শের শাহ কৃষককে কৃষকের নাম, জমিতে কৃষকের অধিকার এবং তাকে কত রাজস্ব দিতে হবে তা লিখে যে দলিল। দিতেন, তাকে পাট্টা বলা হত। পাট্টাপ্রাপ্ত কৃষকরা রাজস্ব দেওয়ার কথা স্বীকার বা কবুল কবে সরকারকে যে দলিল সই কবে দিত, তাকে কবুলিয়ত বলা হত।

২.যোগাযোগ ব্যবস্থা : যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে সুদীর্ঘ ও প্রশস্ত রাজপথ নির্মাণ শের শাহের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি। তিনি T পূর্ববঙ্গের সোনারগাঁ থেকে পেশোয়ার পর্যন্ত ১৪০০ মাইল দীর্ঘ পথ নির্মাণ করেন, যা সড়ক-ই আজমস’ বা গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড বা জি টি বোড নামে পরিচিত। তিনি আগ্রা থেকে বুবহানপুর ও আগ্রা থেকে যোধপুর পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ করেন। তিনি পথিক ও বণিকদের সুবিধার জন্য রাস্তার ধারে ধাবে অনেক সবাইখানা | নির্মাণ করেছিলেন। তিনিই প্রথম ঘোড়ার পিঠে ডাক | আদানপ্রদানের ব্যবস্থা কবেন।

পরিবেশ ও ভূগোল

সপ্তম শ্রেণী

পূর্ণমান- ৫০

১. বিকল্পগুলি থেকে ঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখো :
১.১ সূর্যের উত্তরায়নের সময়কাল –

ক) ২১ শে জুন থেকে ২২ শে ডিসেম্বর

খ) ২৩ শে সেপ্টেম্বর থেকে ২১ শে মার্চ

গ) ২২ শে ডিসেম্বর থেকে ২১ শে জুন

ঘ) ২১ শে মার্চ থেকে ২৩ শে সেপ্টেম্বর

উত্তর: গ) ২২ শে ডিসেম্বর থেকে ২১ শে জুন

১.২ কোনো মানচিত্রে সমচাপরেখাগুলি খুব কাছাকাছি অবস্থান করলে সেখানে –

ক) বায়ুর চাপ বেশি হয়

খ) বায়ুর চাপের পার্থক্য বেশি হয়

গ) বায়ুর চাপ কম হয়

ঘ) বায়ুর চাপের পার্থক্য কম হয়

উত্তর: খ) বায়ুর চাপের পার্থক্য বেশি হয়

১.৩ টোকিও – ইয়োকোহামা শিল্পাঞ্চলের উন্নতির অন্যতম প্রধান কারণ হলাে –

ক) খনিজ ও শক্তি সম্পদের সহজলভ্যতা

খ) স্বল্প জনঘনত্ব

গ) উন্নত প্রযুক্তি ও দক্ষ শ্রম

ঘ) সমুদ্র থেকে দূরবর্তী স্থানে অবস্থান

উত্তর: গ) উন্নত প্রযুক্তি ও দক্ষ শ্রম

১.৪ ভূভাগ ভাজ খেয়ে উপরের দিকে উঠে যে পর্বত সৃষ্টি করে তার উদাহরণ হলো

ক) সাতপুরা

খ) ভোজ

গ) কিলিমাঞ্জারো

ঘ) হিমালয়

উত্তর: ঘ) হিমালয়

১.৫ ঠিক জোড়াটি নির্বাচন করো

ক) নদীর উচ্চপ্রবাহ – ভূমির ঢাল কম

খ) নদীর উচ্চপ্রবাহ – নদীর প্রধান কাজ ক্ষয়

গ) নদীর নিম্নপ্রবাহ – ভূমির ঢাল বেশি

ঘ) নদীর নিম্নপ্রবাহ – নদীর প্রধান কাজ বহন

উত্তর: খ) নদীর উচ্চপ্রবাহ – নদীর প্রধান কাজ ক্ষয়

১.৬ আফ্রিকা মহাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত কাল্পনিক রেখাটি হলাে

ক) কর্কটক্রান্তি রেখা

খ) মকরক্রান্তি রেখা

গ) মূলমধ্যরেখা

ঘ) বিষুবরেখা

উত্তর: ঘ) বিষুবরেখা

১.৭ পৃথিবীর ছাদ’ যে মালভূমিকে বলা হয় সেটি হলো—

ক) ছছাটোনাগপুর মালভূমি

খ) মালব মালভূমি

গ) পামীর মালভূমি

ঘ) লাদাখ মালভূমি

উত্তর: গ) পামীর মালভূমি

১.৮ নদীর উচ্চ প্রবাহে ‘I’ আকৃতির উপত্যকা সৃষ্টির অন্যতম প্রধান কারণ হলাে—

ক) ভূমির ঢাল কম থাকা

খ) উপনদীর সংখ্যা বেশি থাকা

গ) নদীর নিম্নক্ষয়ের ক্ষমতা বেশি হওয়া

ঘ) নদীর পাশ্বক্ষয়ের ক্ষমতা বেশি হওয়া

উত্তর: গ) নদীর নিম্নক্ষয়ের ক্ষমতা বেশি হওয়া

১.৯ যে রূপান্তরিত শিলা বিভিন্ন সৌধ নির্মাণে কাজে লাগে তা হলাে—

ক) চুনাপাথর

খ) কাদাপাথর

গ) ব্যাসল্ট

ঘ) মার্বেল

উত্তর: ঘ) মার্বেল

২. শূন্যস্থান পূরণ করো :

২.১ নিরক্ষরেখা থেকে মেরুর দিকে অক্ষরেখার পরিধি ক্রমশ _____কমতে______ থাকে।

২.২ বায়ুতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কমে গেলে বায়ুর চাপ _____বৃদ্ধি ______ পায়।

২.৩ এশিয়া মহাদেশের একটি উত্তরবাহিনী নদী হলো _____লুনি______ ।

৩. বাক্যটি সত্য হলে ‘ঠিক’ এবং অসত্য হলে ‘ভুল’ লেখো:

৩.১ ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমির একটি উদাহরণ হলো ছোটনাগপুর মালভূমি।

উ:- ঠিক

৩.২ শীতল ও শুষ্ক জলবায়ুতে মাটি সৃষ্টি হতে বেশি সময় লাগে।

উ:- ঠিক

৩.৩ জুলাই মাসে উত্তর আফ্রিকায় যখন গ্রীষ্মকাল, দক্ষিণ আফ্রিকায় তখন শীতকাল।

উ:- ঠিক

৪. স্তম্ভ মেলাও:

উ:-

‘ক’ স্তম্ভ

‘খ’ স্তম্ভ

৪.১ ফুজিয়ামা

iii) আগ্নেয় পর্বত

৪.২ গ্রানাইট

i) আগ্নেয় শিলা

৪.৩ মিয়েন্ডার

ii) নদীর মধ্যপ্রবাহ

 

৫. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও :

৫.১ কোন তারিখকে কর্কট সংক্রান্তি বলা হয় ও কেন?

উ:- 21 শে জুন তারিখটিকে কর্কটসংক্রান্তি বলা হয় । কারণ নিজের পরিক্রমণ গতিতে 21 শে জুন তারিখে পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিকে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকে থাকে । ওইদিন সূর্যকিরণ কর্কটক্রান্তিরেখার উপর লম্বভাবে পড়ে বলে, 21 শে জুন তারিখটিতে উত্তর গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড়ো এবং রাত সবচেয়ে ছোটো হয় । আর দক্ষিণ গোলার্ধে ঠিক এর বিপরীত অবস্থার সৃষ্টি হয় । 21 শে জুন সূর্য উত্তরায়ণের শেষ সীমা কর্কটক্রান্তিরেখার উপর পৌঁছায় বলে 21 শে জুন দিনটিকে কর্কটসংক্রান্তি বলা হয় ।

৫.২ অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখার একটি করে বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।

উ:- অক্ষরেখাগুলো পূর্ণবৃত্ত আর দ্রাঘিমারেখাগুলি অর্ধবৃত্ত ।

৫.৩ সুউচ্চ হিমালয় পর্বত কীভাবে আমাদের দেশের জলবায়ুকে প্রভাবিত করে?

উ:- ভারতের উত্তর দিকে প্রাচীরের মতো সুউচ্চ হিমালয় পর্বত অবস্থান করছে । এই পর্বত থাকায় দক্ষিণ পশ্চিম – মৌসুমি বায়ু এখানে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে উত্তর – পূর্ব ভারতে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায় , অপরদিকে শীতকালে উত্তরের শীতল সাইবেরীয় বাতাস ভারতে প্রবেশ করতে বাধা পায় । ফলে ভারতে শীতের প্রকোপ কম হয় ।

৫.৪ ভূমির ঢাল ও উচ্চতার ভিত্তিতে মালভূমি ও সমভূমির পার্থক্য নিরূপণ করো।

উ:-

ভিত্তি

মালভূমি

সমভূমি

ভূমির ঢাল

চারপাশে খাড়া ঢালযুক্ত হয়ে থাকে l

উপরিভাগ সমতল বা ঢেউ খেলানো হয়ে থাকে l

উচ্চতা

গড় সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩০০ মিটারের বেশি উচু বেশি l

গড় সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩০০ মিটারের কম উঁচু l

 

৬. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :

৬.১ মেরু অঞ্চল ও নিরক্ষীয় অঞ্চলে বায়ুর উষ্মতার তারতম্য কীভাবে দুই অঞ্চলের বায়ুচাপকে নিয়ন্ত্রণ করে তা ব্যাখ্যা করো।

উ:- বায়ুমন্ডলের উষ্ণতার সঙ্গে বায়ুচাপ ব্যস্তানুপাতে পরিবর্তিত হয় অর্থাৎ বায়ুর উষ্ণতা বাড়লে বায়ুর চাপ কমে এবং উষ্ণতা কমলে বায়ুচাপ বাড়ে । বায়ু উষ্ণ হলে হাল্কা ও প্রসারিত হয়, ফলে তার চাপ কমে যায় । এই কারণে নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারা বছর প্রখর সূর্যের তাপে বায়ু উষ্ণ ও হাল্কা হয়ে নিম্নচাপের সৃষ্টি করেছে । অপরদিকে, মেরু অঞ্চলে সূর্যতাপের অভাবে তীব্র শীতলতার কারণে বায়ু শীতল ও সংকুচিত হয়ে উচ্চচাপের সৃষ্টি করেছে ।

৬.২ মাটির দানার আকারের উপর ভিত্তি করে মাটির শ্রেণিবিভাগ করাে। প্রতিটি শ্রেণির একটি করে বৈশিষ্ট্য লেখো।

উ:- মাটির দানার আকারের উপর ভিত্তি করে মাটিকে তিন ভাগে ভাগ করা যায় । যথা :

1. বেলে মাটি : মাটির দানার আকার মোটা

2. এটেল মাটি : মাটির দানার আকার সূক্ষ্ম

3. দোয়াঁশ মাটি : মাটির দানার আকার মাঝারি

৬.৩ নীলনদের উপর কী উদ্দেশ্যে আসোয়ান বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল?

উ:- নীলনদের উপর মিশরীয়রা বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও কৃষি জমিতে জলসেচ এই দুটি মূল উদ্দেশ্যে আসোয়ান বাঁধ তৈরি করে ।

৭. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :

৭.১ এশিয়া মহাদেশের নিরক্ষীয় ও উয়ু মরু জলবায়ু স্বাভাবিক উদ্ভিদের চরিত্রকে কীভাবে প্রভাবিত করে তা আলোচনা করো।

উ:-

নিরক্ষীয় জলবায়ু ও স্বাভাবিক উদ্ভিদ ; এশিয়া মহাদেশের নিরক্ষরেখার কাছাকাছি 10 ° উত্তর অক্ষরেখা থেকে 10 ° দক্ষিণ অক্ষরেখার মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, সিঙ্গাপুর প্রভৃতি দেশে নিরক্ষীয় জলবায়ু দেখা যায় । এই জলবায়ুর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো অধিক উষ্ণতা (বার্ষিক গড় উষ্ণতা 25°-30 ° সে.) ও অধিক বৃষ্টিপাত (বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত 200-300 সেমি) । এই অধিক উষ্ণতা ও বৃষ্টিপাতের কারণে নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারাবছর সবুজ পাতাযুক্ত শক্ত কাঠের চিরহরিৎ অরণ্যের সৃষ্টি হয়েছে । মেহগনি , রোজউড , আয়রন উড , সেগুন , আবলুস , রবার , কোকো , সিঙ্কোনা প্রভৃতি এই অরণ্যের প্রধান উদ্ভিদ ।

উষ্ণ মরু জলবায়ু ও স্বাভাবিক উদ্ভিদ : এশিয়া মহাদেশের আরবের মরুভূমি , ভারত ও পাকিস্তানের থর মরুভূমি , ইরাক , ইরান , কুয়েত প্রভৃতি দেশগুলোতে উষ্ণ মরু জলবায়ু দেখা যায় । অধিক উষ্ণতা (35 ° সে.) ও অতি অল্প বৃষ্টিপাত (10-25 সেমি) এই জলবায়ুর অন্যতম বৈশিষ্ট্য । যার প্রভাব এখানকার স্বাভাবিক উদ্ভিদের উপরও স্পষ্ট । বৃষ্টিপাত কম হওয়ার জন্য এখানকার গাছগুলোর কান্ড ও পাতা মোম জাতীয় পদার্থ দিয়ে ঢাকা থাকে যাতে প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় গাছে জল বেরিয়ে না যায় । অধিকাংশ গাছই কাঁটা জাতীয় হয়ে থাকে । যেমন : ক্যাকটাস , বাবলা , ফনিমনসা , খেজুর প্রভৃতি ।

৭.২ আফ্রিকা মহাদেশের নিরক্ষীয় অঞ্চল ও ভূমধ্যসাগর সন্নিহিত অঞ্চলের স্বাভাবিক উদ্ভিদ কীভাবে জলবায়ু দ্বারা নিয়ন্ত্রিত তা ব্যাখ্যা করো।

উ:-

নিরক্ষীয় অঞ্চল ও স্বাভাবিক উদ্ভিদ : আফ্রিকার নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অঞ্চলে সারাবছর গরম (27° সে.), মোট বৃষ্টিপাতের পরিমাণ , 200-250 সেমি । লম্ব সূর্যরশ্মি আর সারা বছর বৃষ্টিতে এখানে শক্ত কাঠের ঘন জঙ্গল সৃষ্টি হয়েছে । মেহগনি , রোজউড , এবনি এই ঘন জঙ্গলের প্রধান গাছ । ঋতু পরিবর্তন না হওয়ায় এবং সারাবছর বৃষ্টিপাত হওয়ায় এখানকার গাছগুলোর পাতা সবুজ থাকে । তাই এই অরণ্যের নাম নিরক্ষীয় চিরসবুজ অরণ্য

ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল ও স্বাভাবিক উদ্ভিদ : আফ্রিকার একেবারে উত্তর – পশ্চিম ও দক্ষিণ – পশ্চিম অংশে ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু দেখা যায় । এই জলবায়ু অঞ্চলে শীতকালে বৃষ্টি হয় । সারা বছরে 50-100 সেমি বৃষ্টি হয় । গরমকাল বৃষ্টিহীন থাকে । বাষ্পমোচন রোধ করার জন্য গাছের পাতায় নরম মোমের আস্তরণ দেখা যায় । জলপাই , ওক , আখরোট , ডুমুর , কর্ক প্রভৃতি গাছগুলো এখানে জন্মায় । গরমকালে জলের সন্ধানে গাছের মূলগুলো অনেক গভীরে চলে যায় ।

৭.৩ ‘মানুষের নানাবিধ ক্রিয়াকলাপ নদীর উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে’- বক্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।

উ:- মানুষের জীবনের সঙ্গে নদীর সম্পর্ক অতি নিবিড় হলেও , মানুষের কিছু কিছু কাজ নদীর স্বাভাবিক ছন্দকে নষ্ট করে নদীর উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে । যেমন : কৃষি ব্যবস্থার প্রসার , শিল্পায়ন , নগরায়ন , ইত্যাদি নানাভাবে নদীকে প্রভাবিত করছে । বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য নদীর উপর কৃত্রিম বাঁধ তৈরি করলে সামরিক সুফল পাওয়া গেলেও শেষ পর্যন্ত তা আরও ভয়াবহ বন্যারই কারণ হয়ে উঠছে ! একদিকে কৃষিজমি থেকে ধুয়ে আসা পলিতে নদী ক্রমশ ভরাট হচ্ছে । অন্যদিকে সেচের জলের যোগান দিতে নদী ক্রমশ শুকিয়ে যাচ্ছে । শহর , শিল্পাঞ্চলের বর্জ্য জল নদীতে অবাধে মিশে গিয়ে নদীর জল ক্রমশ বিষাক্ত হয়ে যাচ্ছে । তাই সবশেষে বলা যায় , ‘মানুষের নানাবিধ ক্রিয়াকলাপ নদীর উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে’ এই বক্তব্যটি যথার্থ ।

পরিবেশ ও বিজ্ঞান

সপ্তম শ্রেণী

পূর্ণমান- ৫০

১. ঠিক উত্তর নির্বাচন করো :
১.১ অপ্রভ বস্তুটি হলো –

(ক) মোমবাতির শিখা

(খ) সূর্য

(গ) চাঁদ

(ঘ) জোনাকি

উত্তর: (গ) চাঁদ

১.২ যেটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয় সেটি হলো –

(ক) কয়লা

(খ) পেট্রোল

(গ) ডিজেল

(ঘ) গোবর গ্যাস

উত্তর: (ঘ) গােবর গ্যাস

১.৩ উদ্ভিদের মূলের ডগার টুপির মতো অংশের ঠিক ওপরের জায়গা যেখানে কোনো রোঁয়া থাকে না সেটি হলো –

(ক) মূলত্র অঞ্চল

(খ) বর্ধনশীল অঞ্চল

(গ) স্থায়ী অঞ্চল

(ঘ) মূলরোম অঞ্চল

উত্তর: (খ) বর্ধনশীল অঞ্চল

১.৪ যেক্ষেত্রে আলোর বিক্ষিপ্ত প্রতিফলন ঘটে না সেটি হলো –

(ক) দেয়াল

(খ) কাগজ

(গ) কাপড়

(ঘ) আয়না

উত্তর: (ঘ) আয়না

১.৫ যেটি পরিবেশবান্ধব শক্তির উৎস নয় সেটি হলাে –

(ক) সূর্য

(খ) বায়ুপ্রবাহ

(গ) জীবাশ্ম জ্বালানি

(ঘ) জৈব গ্যাস

উত্তর: (গ) জীবাশ্ম জ্বালানি

১.৬ রূপান্তরিত অর্ধবায়বীয় কাণ্ড দেখা যায় যে উদ্ভিদে সেটি হলাে –

(ক) আলু

(খ) কচুরিপানা

(গ) বেল

(ঘ) কুমড়ো

উত্তর: (খ) কচুরিপানা

২. শূন্যস্থান পূরণ করো :

২.১ ইস্ত্রিতে তড়িৎপ্রবাহের ____তাপীয়________ ফলাফলের প্রয়োগ করা হয়।

২.২ আমের আঁটি ____বীজকে________ ঢেকে রাখে।

২.৩ এঁচোড় হলো ____যৌগিক________ ফলের একটি উদাহরণ।

৩. ঠিক বাক্যের পাশে ‘✔’ আর ভুল বাক্যের পাশে ‘X’ চিহ্ন দাও :

৩.১ কোনা বস্তুকে তাপ দিলে তার উষ্ণতার পরিবর্তন হবেই।

উ:- X

৩.২ ভিটামিন D-এর অভাবে বেরিবেরি রোগ হয়।

উ:- X

৩.৩ কঠিন সোডিয়াম ক্লোরাইডের মধ্যে অণুর কোনো অস্তিত্ব নেই।

উ:- ✔

৩.৪ কোনো দণ্ডচুম্বকের জ্যামিতিক দৈর্ঘ্য তার চৌম্বক দৈর্ঘ্যের চেয়ে সামান্য কম হয়।

উ:- ✔

৩.৫ কাণ্ডের যে অংশ থেকে শাখা বেরোয় তাকে পর্বমধ্য বলে।

উ:- X

৩.৬ তেঁতুল পাতা হলো একক পত্রের একটি উদাহরণ।

উ:- X

৪. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও :

৪.১ সমীকরণটি ব্যালান্স করে লেখো :

উ:-  `P_{4}+5O_{2}\rightarrow P_{4}O_{10}`

 

৪.২ মানবদেহে আয়োডিনের একটি কাজ উল্লেখ করো।

উ:- আয়োডিন থাইরয়েড গ্রন্থির বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে । মস্তিষ্কের বিকাশে বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করে । আয়োডিনের অভাব হলে থাইরয়েড গ্রন্থি বড় হয়ে যায় এবং গলা অস্বাভাবিক ভাবে ফুলে যায় । একেই গয়টার বা গলগন্ড বলা হয় । থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতা কমে গিয়ে মহিলাদের বন্ধ্যাত্ব পর্যন্ত হতে পারে । তাছাড়াও আয়োডিনের অভাবে শারীরিক ও মানসিক অবসাদ ও দেখা দিতে পারে ।

৪.৩ আম দিয়ে তৈরি একটি প্রক্রিয়াজাত খাবারের উদাহরণ দাও।

উ:- আম দিয়ে তৈরি এমন একটি প্রক্রিয়াজাত খাবার হলো আমসত্ত্ব ।

৫. একটি বা দুটি বাক্যে উত্তর দাও :

৫.১ কিউপ্রিক ক্লোরাইডের জলীয় দ্রবণে জিঙ্কের টুকরো যোগ করলে কী ধরনের বিক্রিয়া হবে? বিক্রিয়ার সমীকরণ লেখো।

উ:- কিউপ্রিক ক্লোরাইড দ্রবণে দস্তা বা জিংক যোগ করলে , দস্তা কিউপ্রিক ক্লোরাইড এর মধ্যেকার কপারকে প্রতিস্থাপিত করবে । লালচে বাদামী রং – এর তামা ( কপার ) শেষ পর্যন্ত এই বিক্রিয়ায় থিতিয়ে পড়বে ।

`Zn+CuCl_{2} \rightarrow ZnCl_{2}+Cu`

কিউপ্রিক ক্লোরাইড এর জলীয় দ্রবণে জিঙ্ক এক টুকরো যোগ করলে প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া হবে ।

৫.২ কী কী উপায়ে ফিল্টার যন্ত্রের সাহায্য ছাড়াই বাড়িতে বিশুদ্ধ পানীয় জল তৈরি করা যায়?

উ:- ফিল্টার যন্ত্রের সাহায্য ছাড়াই বাড়িতে বিশুদ্ধ পানীয় জল তৈরি করা যায় বিভিন্ন ভাবে । যেমন :

জলকে ফুটিয়ে : জলকে বিশুদ্ধ করার সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো অনেকক্ষণ ধরে উচ্চ তাপমাত্রায় জল ফোটানো । এটি করলে জলের ভিতর ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস মারা যায় ও জলের অশুদ্ধি দূর হয় ।

পাতন পদ্ধতিতে : পতন হলো জল পরিশোধনের আর একটি কার্যকর ঘরোয়া পদ্ধতি । একটি বদ্ধ পাত্রে জল কেমন ভাবে ফোটানো হয় নির্গত বিশুদ্ধ করার বিশুদ্ধ পানীয় জলীয় বাষ্পকে পুনরায় জলে পরিণত করাই হল পাতন । এতে জলের অশুদ্ধি দূর হয় ও পাতিত জল পাওয়া যায় ।

৫.৩ পৃথিবী যে নিজেই একটা চুম্বক তার পক্ষে কী প্রমাণ আছে?

উ:- একটা লোহার দন্ডকে বহুদিন ধরে পৃথিবীর উত্তর দক্ষিণ দিক বরাবর রেখে দিলে দেখা যায় ওই দন্ডের মধ্যে ক্ষীণ চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয়েছে । দন্ড তার উত্তরমুখী প্রান্তে উত্তর মেরু আর দক্ষিণমুখী প্রান্তে দক্ষিণ মেরু সৃষ্টি হয় ।

আবার কোন চুম্বক এ অবাধে ঝুলে থাকতে দিলে তা উত্তর দক্ষিণ মুখ করে দাঁড়িয়ে থাকে । এই ভাবেই প্রমাণিত হয় যে পৃথিবী নিজে একটা বিরাট চুম্বক ।

৫.৪ কী কী উপায়ে উদ্ভিদে স্বপরাগযোগ ঘটতে পারে?

উ:- তিনটি উপায়ে স্বপরাগযোগ ঘটতে পারে –

একটি ফুলের থেকে পরাগরেণু সেই ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হয় ।

একটি ফুলের থেকে পরাগরেণু সেই গাছের অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হয় ।

একই ফুলের থেকে পরাগরেণু ওই ধরনের অন্য গাছের ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হয় ।

৫.৫ চালু লাইনের কাজ করার সময় ইলেকট্রিক মিস্ত্রির কীসের ওপর দাঁড়িয়ে কাজ করা উচিত – লোহার চেয়ার না কাঠের টুল? কেন?

উ:- চালু লাইনে কাজ করার সময় ইলেকট্রিক মিস্ত্রির কাঠের টুল এর উপর দাঁড়িয়ে কাজ করা উচিত।

কারণ, কাঠ হল তড়িতের কুপরিবাহী। তাই কাঠের টুল এর উপর দাঁড়িয়ে | মিস্ত্রি কাজ করা অবস্থায় ভুলে পরিবাহিতার হাত পড়ে গেলেও তড়িৎ শরীরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে না। অর্থাৎ সক লাগবেনা ৷

৫.৬ উদ্ভিদের মূলের প্রধান কাজ কী কী?

উ:- উদ্ভিদের মূলের প্রধান কাজ গুলি হল:

১) জল ও খনিজ লবণ শোষণ: উদ্ভিদের মূলের মূলরোম অঞ্চলের উপস্থিত রোমগুলোর সাহায্যে উদ্ভিদ মাটি থেকে জল ও খনিজ পদার্থ শোষণ করে।

২) মাটি কে আঁকড়ে ধরে রাখা: মূল এর স্থায়ী অঞ্চল মাটিকে আঁকড়ে ধরে রাখে।

৫.৭ হাতে স্পিরিট বা ইথার ঢাললে ঠান্ডা লাগে কেন?

উ:- হাতে বা গায়ে স্পিরিট লাগলে ঠান্ডা বোধ হয়। স্পিরিট উদবায়ী তরল বলে দ্রুত বাষ্পে পরিণত হয়। এই বাম্পায়নের জন্য স্পিরিট প্রয়োজনীয় লীন তাপ হাত বা গা থেকে গ্রহণ করে। ফলে হাত বা গা- এর স্পিরিট- লাগা অংশটুকু ঠান্ডা হয়ে যায়।

৬. তিন-চারটি বাক্যে উত্তর দাও :

৬.১ যে উয়তায় সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের পাঠ সমান হবে তা নির্ণয় করো।

উ:- ধরি x°C = x°F অর্থাৎ x উষ্ণতায় সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের পাঠ সমান।

অর্থাৎ,` \frac{x}{5}=\frac{x-32}{9}`

বা,` x=\frac{-160}{4}=-40`

-40° উষ্ণতায় সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের পাঠ সমান হবে।

৬.২ কোয়াশিওরকর রোগ কেন হয় এবং এই রোগে কী কী লক্ষণ দেখা যায় ?

উ:- খাদ্য উপযুক্ত পরিমাণ প্রোটিনের অভাব ঘটলে 1 থেকে 4 বছর বয়স্ক শিশুদের অপুষ্টিজনিত কোয়াশিয়রকর রোগ দেখা যায়।

কোয়াশিয়রকর রোগ এর লক্ষণ:

১) শিশুর গায়ের চামড়া গাঢ় বর্ণের হয়ে যায়।

২) শিশুর পেট ফুলে যায়।

৩) দেহ এত অপুষ্টিতে ভোগে যে, দেখে মনে হয় চোখগুলো যেন ঠিকরে বেরিয়ে আসছে।

৪) হাত ও পা সরু হয়ে যায়।

৬.৩ একটি চিহ্নিত চিত্রের সাহায্যে ঘন মাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে প্রতিসরণের ক্ষেত্রে আলোকরশ্মির গতিপথ কেমন হবে তা দেখাও।

উ:-

৬.৪ সাপ কীভাবে ‘জেকবসনস অর্গান’- এর সাহায্যে তার চারপাশের পরিবেশ সম্বন্ধে জানতে পারে?

উ:- বিভিন্ন প্রাণীর দেহ থেকে নানান উদ্বায়ী যৌগের অণু বাতাসের মধ্যে দিয়ে ছড়িয়ে পড়ে। সাপের জিভে সেইসব যৌগের অনুরা আটকে যায়। তারপর সাপ মুখের ভিতর জিভটা ঢুকিয়ে নিয়ে উপরের তালুতে ঠেকায়। সেখানে থাকে একটি বিশেষ অঙ্গ জেকবসনস অরগ্যান। সাপ যখন জীবিত সেখানে ঢোকায় তখন সেই গন্ধের অণুগুলো মস্তিষ্কে উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। সেই থেকে সাপ চারপাশের পরিবেশ সম্বন্ধে জানতে পারে।

৬.৫ সূচিছিদ্র ক্যামেরার ছিদ্রটি বড়ো করা হলে প্রতিকৃতির কী পরিবর্তন হবে? ব্যাখ্যা করো।

উ:- সূচিছিদ্র ক্যামেরার ছিদ্রটি বড় করা হলে প্রতিকৃতিও অস্পষ্ট হবে।

ব্যাখ্যা: সূচিছিদ্র ক্যামেরার ছিদ্রটি বড় করা হলে তা অসংখ্য ছোট ছোট ছিদ্রের সমষ্টির মতো আচরণ করবে। এতে গঠিত অসংখ্য প্রতিকৃতি মিলে মিশে যাবে। এর ফলে একটি অস্পষ্ট প্রতিকৃতি সৃষ্টি হবে।

৬.৬ সমুদ্রের মাছ কীভাবে নিজের দেহে জলের পরিমাণ স্বাভাবিক রাখে ব্যাখ্যা করো।

উ:- নিম্নলিখিত পদ্ধতির মাধ্যমে সমুদ্রের মাছ নিজের দেহে জলের পরিমান স্বাভাবিক রাখে:

সমুদ্রের মাছ ঘন ঘন মূত্র ত্যাগ করে। ফলে তাদের দেহ থেকে খুব কম পরিমাণ জল বেরিয়ে যায়।

সমুদ্রের মাছ ফুলকার মাধ্যমে দেহের অতিরিক্ত আয়ন ত্যাগ করে। এদের ফুলকার কোষ ক্লোরাইড লবণ ত্যাগ করতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। এভাবে সমুদ্রের মাছ নিজেদের দেহে জলের পরিমাণ স্বাভাবিক রাখে ।

সামুদ্রিক মাছেরা অনেক বেশি জল পান করে।

স্বাস্থ্য ও শারীরশিক্ষা

সপ্তম শ্রেণী

পূর্ণমান- ৫০

(ক) সঠিক উত্তরটিকে বেছে নিয়ে (√) চিহ্ন দাওঃ

(১) ইস্টবেঙ্গল ক্লাব কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?

(i) ১৯২১

(ii) ১৯১১

(iii) ১৯২০

উত্তর: (iii) ১৯২০

(২) অ্যাথলেটিক্স শব্দটি কোথা থেকে এসেছে?

(i) ইথানল

(ii) এথেন্স

(iii) অ্যাথলন

উত্তর: (iii) অ্যাথলন

(৩) মােহনবাগান ক্লাব কত সালে সাহেবদের হারিয়ে শিল্ড চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল?

(i) ১৮১১

(ii) ১৯১১

(iii) ১৯১৬

উত্তর: (ii) ১৯১১

(৪) মেদাধিক্যের কারণ কী?

(i) শরীরচর্চার অনভ্যাস

(ii) হরমােনের সমস্যা

(iii) ফাস্টফুড খাওয়া

(iv) সব কয়টি

উত্তর: (iv) সব কয়টি

(৫) সাধারণত পূর্ণবয়স্ক পুরুষদের দেহের ওজনের কত শতাংশ মেদ থাকে?

(i) ১০%

(ii) ১৫%

(iii) ২%

(iv) ২৫%

উত্তর: (ii) ১৫%

(৬) মেদবৃদ্ধি রুখতে কী করতে হবে?

(i) শরীরচর্চা

(ii) পরিমিত খাওয়া

(iii) সঠিক জীবনশৈলী

(iv) সব কয়টি

উত্তর: (iv) সব কয়টি

(৭) খাদ্য থেকে প্রাপ্ত দেহের চাহিদার অতিরিক্ত ক্যালােরি দেহের কি বৃদ্ধি ঘটাতে পারে?

(i) হৃৎপিণ্ডের কার্যক্ষমতা বাড়ায়

(ii) মেদাধিক্য ঘটায়

(iii) স্নায়ুর কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে

(iv) হাড়ের গঠন সুদৃঢ় করে

উত্তর: (ii) মেদাধিক্য ঘটায়

(৮) একজন স্বাভাবিক ওজনের শিক্ষার্থীর দেহভর সূচকটি কত?

(i) ১৮ কিলােগ্রাম/মিটার

(ii) ১৮.৫ – ২৪.৫ কিলােগ্রাম/মিটার

(iii) ৩০ এর বেশি কিলােগ্রাম/মিটার

উত্তর: (ii) ১৮.৫ – ২৪.৫ কিলােগ্রাম/মিটার

(৯) যদি কোনাে শিক্ষার্থীর দেহের ওজন তার স্বাভাবিক ওজন যা হওয়া উচিত তার কম হয় তাহলে কী সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে?

(i) মধুমেহ

(ii) রােগ প্রতিরােধ ক্ষমতা হ্রাস পায়

(iii) মেদাধিক্য

উত্তর: (ii) রােগ প্রতিরােধ ক্ষমতা হ্রাস পায়

(১০) কোনটি দেহভর সূচকের সূত্র ?

উত্তর: (i)

খ) শূন্যস্থান পূরণ করাে ?

(১) খেলা মানুষের ____সহজাত______ প্রবৃত্তি ।

উত্তর: খেলা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি ।

(২) গ্রিক শব্দ ____ জিমনস ______ থেকে জিমনাস্টিকস কথাটি এসেছে।

উত্তর: গ্রিক শব্দ জিমনস থেকে জিমনাস্টিকস কথাটি এসেছে।

(৩) জৈনধর্ম ___অহিংসার _______ মূর্ত প্রতীক হিসাবে বিদ্যমান।

উত্তর: জৈনধর্ম অহিংসার মূর্ত প্রতীক হিসাবে বিদ্যমান।

(৪) এন. সি. সি.-র ______হালকা নীল ________ রং নৌসেনা বাহিনীর প্রতীক।

উত্তর: এন. সি. সি.-র হালকা নীল রং নৌসেনা বাহিনীর প্রতীক।

(৫) ___ব্যায়াম _______ দেহ ও মনের মধ্যে সমন্বয়সাধন করে, যা স্বাস্থ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

উত্তর: ব্যায়াম দেহ ও মনের মধ্যে সমন্বয়সাধন করে, যা স্বাস্থ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

(৬) ব্যায়াম পেশির _____চোট_____ প্রতিকারের ক্ষেত্রে একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে।

উত্তর: ব্যায়াম পেশির চোট প্রতিকারের ক্ষেত্রে একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে।

(৭) পরিমিত খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত ব্যায়ামের দ্বারা ____মেদবাহুল্য______ দূর করা সম্ভব।

উত্তর: পরিমিত খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত ব্যায়ামের দ্বারা মেদবাহুল্য দূর করা সম্ভব।

(৮) যখন তখন ____ঘুমিয়ে______ পড়ার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।

উত্তর: যখন তখন ঘুমিয়ে পড়ার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।

(৯) প্রতিদিন যে পরিমাণ ক্যালােরি প্রয়ােজন তার থেকে ২০০০ ক্যালােরি কম খাবার গ্রহণ করতে চাইলে অবশ্যই __বিশেষজ্ঞের ________ পরামর্শ নিতে হবে।

উত্তর: প্রতিদিন যে পরিমাণ ক্যালােরি প্রয়ােজন তার থেকে ২০০০ ক্যালােরি কম খাবার গ্রহণ করতে চাইলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।

(গ) সঠিক বক্তব্যটির পাশে সত্য এবং ভুল বক্তব্যটির পাশে মিথ্যা লেখাে এবং ভুল থাকলে সংশােধন করাে।

(১) বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলের আহার একটি পুষ্টিবর্ধক কর্মসূচি।

উত্তর: সত্য

(২) মেদ ঝরাতে ফাস্টফুড বর্জন করতে হবে।

উত্তর: সত্য

(৩) ব্যায়াম করলে হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়।

উত্তর: সত্য

(৪) প্রাণায়াম করলে ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

উত্তর: সত্য

(৫) খেলাধুলাে করলে শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটে।

উত্তর: সত্য

(ঘ) নীচের ছবি দেখে ছবির নীচে ফাঁকা ঘরে ভঙ্গিটি শনাক্ত করে ভঙ্গিটির নাম লেখাে এবং ভঙ্গিটি কোন ক্রীড়াক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত তার নাম লেখাে।

উত্তরঃ- ১) উষ্ট্র আসন ২)ধনুরাআসন

(ঙ) নীচের যােগাসনের ভঙ্গিগুলি শনাক্ত করে, ছবির পাশের ফাঁকা ঘরে যােগাসনটির নাম লেখাে।

(ক) উত্তর: উত্তর: ছবিতে যে ভঙ্গিটি দেখানো হয়েছে সেটি হলো ‘পুর্ণধানুরাসন। ছবিতে দেখানো ভঙ্গিটি একক ক্রীড়া ‘যোগাসন’ এর সঙ্গে যুক্ত।

(খ) উত্তর: ছবিতে যে ভঙ্গিটি দেখানো হয়েছে সেটি হলো ‘আদেশ তেজ চল। এই ভঙ্গিটি ‘কুচকাওয়াজ’ এর সঙ্গে যুক্ত।

(গ) উত্তর: ছবিতে দেখানো ভঙ্গিটি হলো কবাডি খেলার ‘আক্রমনাত্মক কৌশল দৌড়ে গোড়ালি স্পর্শ করা। এই ভঙ্গিটি ‘দলগত ক্রীড়ার’ সঙ্গে যুক্ত কবাডির একটি কৌশল।

(ঘ) উত্তর: ছবিতে দেখানো ভঙ্গিটি হলো এক হাতে কার্ট হুইল। এই ভঙ্গিটি ‘জিমনাস্টিক’ এর সঙ্গে যুক্ত।

(ঙ) উত্তর: ছবিতে দেখানো ভঙ্গিটি পিরামিডের । এই ভঙ্গিটি ‘সমবেত ক্রীড়ার’ সঙ্গে যুক্ত।

(চ)উত্তর: ছবিতে দেখানো ভঙ্গিটি হল ‘খালি হাতে ব্যায়াম করা। এই ভঙ্গিটি ‘ক্যালিস্থেনিকস’ এর সঙ্গে যুক্ত।

(ঙ) নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও।

(১) স্বাস্থ্যের উপর ব্যায়ামের প্রভাব বর্ণনা করাে।

উত্তর: স্বাস্থ্যের উপর ব্যায়াম এর প্রভাবগুলি নিম্নলিখিত:

শারীরিক স্বাস্থ্যের উপর ব্যায়ামের প্রভাব :

১. হৃৎপিণ্ডের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ।

২.ফুসফুসের আয়তন ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ।

৩.স্থূলকায় ব্যক্তির ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে ।

৪. ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে ।

৫. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে ।

৬. শারীরিক কাঠামােকে শক্তিশালী করে তােলে ।

সামাজিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব :

প্রতিদিন খেলাধুলার মধ্য দিয়ে সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের সঙ্গে মেলামেশার সুযােগ হয় এছাড়া-

১. নিয়মানুবর্তিতা ও শৃঙ্খলাবােধের ওঁ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে ।

২. সহযােগিতার মনােভাব বৃদ্ধি পায় ।

৩. পরস্পরকে ভালােবাসতে ও শ্রদ্ধা করতে শেখায় ।

মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব :

১. উদ্বেতা হতাশা কমাতে সাহায্য করে ।

২. যে – কোনাে পরিবেশে ব্যক্তিকে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে ।

৩. কাজের প্রতি মনঃসংযােগ বৃদ্ধি পায় ।

৪. মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে ।

৫. আত্মবিশ্বাস ও আত্মসংযম বাড়াতে সাহায্য করে ।

৬. মনের দূষণ প্রতিরােধ করে খেলাধুলা ।

রােগ প্রতিরােধক ক্ষমতা :

১. ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায় ও ডায়াবেটিস হলে তা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

২. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

৩. হাইপােকাইনেটিক্স বা কম পরিশ্রমজনিত রােগ, যেমন- মধুমেহ, উচ্চ রক্তচাপ, মেরুদণ্ডের স্বাভাবিক শক্তির হ্রাস, শরীরের ওজন বৃদ্ধি, ফ্যাট বৃদ্ধি ইত্যাদি হওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।

৪.ব্যায়াম পেশির চোট প্রতিকারের ক্ষেত্রে একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে।

(২) মেদ ঝরাতে কী কী করতে হবে লেখাে।

উত্তর: মেদ ঝরাতে যে বিষয়গুলি আমাদের করণীয় সেগুলি হল –

(১) শিশুদের খিদে পেলে তবেই খেতে দিতে হবে তবে এককালীন বেশি করে না খাওয়া উচিত। প্রতিদিন চারবেলা খাদ্য গ্রহণ করা উচিত। সকালে পেট ভরে খাদ্য গ্রহণ করা উচিত তাহলে সেই ক্যালােরি সারাদিনে কাজ করবার সঙ্গে সঙ্গে ব্যায় হবে ফলে অতিরিক্ত মেদ শরীরে জমা হবে না। দুপুর, সন্ধে ও রাতে হাল্কা ও পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। রাত্রে খাদ্য গ্রহণের পর অন্তত ১৫ মিনিট হাঁটা উচিত।

(২) অধিক পরিমাণ শাকসবজি খেতে হবে এবং স্নেহজাতীয় খাদ্য, মাছমাংস যথাসম্ভব কম বা প্রয়ােজনমতাে খেতে হবে।

(৩) যখন তখন ঘুমিয়ে পড়ার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।

(৪) প্রতিদিন ৪০-৬০ মিনিট ধরে ঘাম-ঝরানাে ব্যায়াম করতে হবে।

(৫) মিষ্টি জাতীয় খাবার, ফাস্টফুড, রাস্তায় তৈরি খাবার ও অতিরিক্ত তেল-ঝাল-মশলাযুক্ত খাবার বর্জন করতে হবে।

(৬) খেলাধুলা-ব্যায়াম-শরীরচর্চায় নিয়মিত অংশগ্রহণ করতে হবে।।

(চ) দু-এক কথায় উত্তর দাও :

(১) খেলা কী?

উত্তর: খেলা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি যা সৃজনশীল ক্রিয়াকলাপ এর

মাধ্যমে মানুষকে আনন্দ প্রদান করে। শিশুদের দেহ ও মনের বিকাশ ঘটাতে ‘খেলা’ বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

(২) প্রত্যক্ষ বিনােদন কাকে বলে?

উত্তর: যে কোনাে ক্রীড়ায় প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের মাধ্যমে যে বিনােদন লাভ করা হয়, তাকে প্রত্যক্ষ বিনােদন বলে,

(৩) সৃজনশীল বিনােদনের একটি উদাহরণ দাও।

উত্তর: কবিতা লেখা, গান লেখা, ছবি আঁকা ইত্যাদি হল সৃজনশীল | বিনােদন।

(৪) শারীরশিক্ষার উদ্দেশ্যগুলি লেখাে।

উত্তর: শারীরশিক্ষার উদ্দেশ্যসমূহ হল :

(ক) বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের উন্নতি।

(খ) সহযােগিতা ও সহানুভূতির উন্নতি।

 

অন্যান্য ক্লাসের মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক এখানে ক্লিক করুন
এই ব্লগের হোমপেজে যাওয়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন
আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেল-এ যুক্ত হওয়ার জন্য
এখানে ক্লিক করুন

 

2 thoughts on “Class 7 All Subject Model Activity Task Part 8 (Combined Compilation)”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *