Class 6 Geography Model Activity Task(Compilation) Part 8

Class 6 Geography Model Activity Task(Compilation) Part 8: WBBSE Class 6 students can find here  Geography Model Activity Task Part 8 Combined Fully answered here. Model Activity Compilation Part 8 for class 6 full marks 50. This task is the final task so the students can write down this full answer on the exercise book and submit it at the end month(December) after school opening.

Class 6 Geography Model Activity Task(Compilation) Part 8

Class 6 Geography Model Activity Task(Compilation) Part 8

Model Activity Compilation

পরিবেশ ও ভূগোল
পূর্ণমান – ৫০ 

১. বিকল্পগুলি থেকে ঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখাে :

১.১ ঠিক জোড়াটি নির্বাচন করাে —

ক) গ্রহ – নিজস্ব আলাে আছে

খ) গ্রহাণু – গ্রহের তুলনায় আয়তনে বড়

গ) উপগ্রহ – নক্ষত্রের আলােয় আলােকিত

ঘ) উল্কা – লেজবিশিষ্ট উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক

উত্তর: গ) উপগ্রহ – নক্ষত্রের আলােয় আলােকিত

 

১.২ নিরক্ষরেখার সমান্তরালে উত্তর গােলার্ধে বিস্তৃত কাল্পনিক রেখা হলাে –

ক) মকরক্রান্তি রেখা

খ) কর্কটক্রান্তি রেখা

গ) মূলমধ্য রেখা

ঘ) কুমেরুবৃত্ত রেখা

উত্তর: খ) কর্কটক্রান্তি রেখা

 

১.৩ নীচের যে রাজ্যটির ওপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা বিস্তৃত সেটি হলাে –

ক) অরুণাচল প্রদেশ

খ) মহারাষ্ট্র

গ) হিমাচল প্রদেশ

ঘ) পশ্চিমবঙ্গ

উত্তর: ঘ) পশ্চিমবঙ্গ

 

১.৪ সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জীবকূলকে রক্ষাকারী ওজোন স্তর আছে –

ক) ট্রপােস্ফিয়ারে

খ) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে

গ) আয়নােস্ফিয়ারে

ঘ) এক্সোস্ফিয়ারে

উত্তর: খ) স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে

 

১.৫ আন্টার্কটিকার একটি স্বাভাবিক উদ্ভিদ হলাে –

ক) পাইন

খ) শাল

গ) মস

ঘ) সেগুন

উত্তর: গ) মস

 

১.৬ ভারতের মরু অঞ্চলের মাটির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলাে –

ক) মাটির জলধারণ ক্ষমতা বেশি

খ) মাটিতে লােহার পরিমাণ বেশি

গ) মাটির জলধারণ ক্ষমতা কম

ঘ) মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বেশি

উত্তর: গ) মাটির জলধারণ ক্ষমতা কম

 

১.৭ উত্তর আমেরিকা ও ইউরােপের মাঝে অবস্থিত মহাসাগরটি হলাে –

ক) প্রশান্ত মহাসাগর

খ) আটলান্টিক মহাসাগর

গ) ভারত মহাসাগর

ঘ) সুমেরু মহাসাগর

উত্তর: খ) আটলান্টিক মহাসাগর

১.৮ পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ুর প্রকৃতি –

ক) উষ্ণ-আর্দ্র

খ) শীতল-আর্দ্র

গ) শীতল-শুষ্ক

ঘ) উষ্ণ-শুষ্ক

উত্তর: ক) উষ্ণ-আর্দ্র

 

১.৯ ভারতের একটি পশ্চিমবাহিনী নদী হলাে –

ক) কাবেরী

খ) গােদাবরী

গ) নর্মদা

ঘ) মহানদী

উত্তর: গ) নর্মদা

 

২. শূন্যস্থান পূরণ করাে :

 

২.১ সমুদ্রের কাছাকাছি অঞ্চলের জলবায়ু ___________ প্রকৃতির হয়।

উত্তর: সমুদ্রের কাছাকাছি অঞ্চলের জলবায়ু ____সমভাবাপন্ন_______ প্রকৃতির হয়।

 

২.২ নির্দিষ্ট ঋতুতে যে গাছের পাতা ঝরে পড়ে তাকে ___________ উদ্ভিদ বলে।

 

উত্তর: নির্দিষ্ট ঋতুতে যে গাছের পাতা ঝরে পড়ে তাকে ______পর্ণমোচী_____ উদ্ভিদ বলে।

 

২.৩ সাধারণত শীতকালে শীতল অঞ্চল থেকে যে পাখিরা আমাদের দেশে উড়ে আসে তারা ___________ পাখি নামে পরিচিত।

 

উত্তর: সাধারণত শীতকালে শীতল অঞ্চল থেকে যে পাখিরা আমাদের দেশে উড়ে আসে তারা ___পরিযায়ী________ পাখি নামে পরিচিত।

 

৩. বাক্যটি সত্য হলে ‘ঠিক’ এবং অসত্য হলে ‘ভুল’ লেখাে :

২.১ গােলাকার পৃথিবী দ্রুত গতিতে আবর্তন করায় এটি মাঝ বরাবর স্ফীত।।

উত্তর: ‘ঠিক’

 

২.২ ০° ও ১৮০° দ্রাঘিমারেখা প্রকৃতপক্ষে একটিই রেখা।

উত্তর: ‘ভুল’

 

২.৩ সূর্যের দৈনিক আপাত গতির মূল কারণ পৃথিবীর আবর্তন।

উত্তর: ‘ঠিক’

 

৪. স্তম্ভ মেলাও :

ক স্তম্ভ           খ স্তম্ভ
৪.১ আর্দ্রতা      i) প্যানজিয়া
৪.২ ভারতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ    ii) হাইগ্রোমিটার
৪.৩ অখণ্ড স্থলভাগ     iii) গডউইন অস্টিন

উত্তর:

ক স্তম্ভ                      খ স্তম্ভ
৪.১ আর্দ্রতা             ii) হাইগ্রোমিটার
৪.২ ভারতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ                   iii) গডউইন অস্টিন
৪.৩ অখণ্ড স্থলভাগ                      i) প্যানজিয়া

 

এছাড়া দেখে নিতে পারোঃ Class 6 English Model Activity Compilation Part 8 Solutions

 

৫. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও :

৫.১ তারার রঙের সঙ্গে উত্মতার সম্পর্ক লেখাে।

উত্তর: তারার রঙের সঙ্গে উষ্ণতার সম্পর্ক নিম্নরুপঃ

(i)কোন তারা কতটা উত্তপ্ত সেটা তারা রং দেখে নির্ণয় করা যায়

(ii) ছোট লাল তারার উষ্ণতা সবথেকে কম এবং আকাশে ছোট লাল তারার সংখ্যা সব থেকে বেশি

(iii) মাঝারি হলুদ তারার উষ্ণতা তুলনামূলক বেশি

(iv) বিরাট নীল তারার উষ্ণতা প্রচন্ড বেশি এবং এই তারাগুলো বেশ উজ্জ্বল

(v) সাদা তারার উষ্ণতা এবং উজ্জলতা  দুটোই অত্যধিক বেশি খালি চোখে আমরা সাদা তারা অর্থাৎ অধিক উষ্ণতা এবং উজ্জলতা বিশিষ্ট তারা গুলোকে দেখতে পাই।

 

৫.২ দিগন্তরেখা কাকে বলে?

উত্তর: দুরে কোনো স্থানের দিকে লক্ষ্য করলে যে রেখা বরাবর আকাশটা মাটির সঙ্গে মিশে গেছে বলে মনে হয় তাকেই দিগন্ত রেখা বলা হয়।

 

৫.৩ বারিমণ্ডল কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে?

উত্তর: পৃথিবীর সৃষ্টির বহু কোটি বছর পর পৃথিবীর বাইরের আবরণ শীতল হয়ে গেলে প্রচুর জলীয় বাষ্প সৃষ্টি হয় । জলীয়বাষ্প উপরে উঠে ঠান্ডা হয়ে পৃথিবীতে বৃষ্টিপাত রূপে নামে । শত শত বছর ধরে প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে পৃথিবীর নিচু জায়গা গুলো ভরাট হয়ে সাগর-মহাসাগর তৈরি করেছে। এই ভাবেই বারিমন্ডলের সৃষ্টি হয়েছে।

 

৫.৪ বিকিরণ পদ্ধতিতে কীভাবে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হয় ?

উত্তর:  বিকিরণ পদ্ধতিতে পৃথিবীর বায়ুমন্ডল নিম্নলিখিত পদ্ধতিতে উত্তপ্ত হয়ঃ

(i) সূর্য থেকে বিকিরণ পদ্ধতিতে আগত তাপশক্তি বায়ুমণ্ডল ভেদ করে ভূপৃষ্ঠে এসে পড়ে এবং ভূপৃষ্ঠ কে উত্তপ্ত করে।

(ii) ভূপৃষ্ঠের তাপ বিকীর্ণ হওয়ার ফলে  ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুস্তর উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং এভাবেই বিকিরণ পদ্ধতিতে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হয়।

 

৬. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :

৬.১ পৃথিবীর কাল্পনিক অক্ষ কক্ষতলের সঙ্গে কত ডিগ্রি কোণে হেলে অবস্থান করছে তার একটি চিহ্নিত চিত্র আঁকো।

উত্তর: পৃথিবীর কাল্পনিক অক্ষ কক্ষতলের সঙ্গে `66 \frac{1}{2}`° ডিগ্রি কোণে হেলে অবস্থান করছে।

 

 

৬.২ পলিমাটির তিনটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করাে।

উত্তর: পলিমাটির তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-

পলি মাটির উপাদানঃ  জৈব পদার্থ ফসফরাস এবং পটাশিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকে

উৎপাদিত ফসলঃ পলিমাটি উর্বর প্রকৃতির হয়,  প্রায় সব রকমের ফসল চাষ করা হয় । ধান পাট গম  প্রভৃতি ফসল পলিমাটিতে অধিক পরিমাণে উৎপাদিত হয়।

 

৬.৩ বিশ্ব উয়ায়নের কারণে পৃথিবীর শীতলতম মহাদেশ কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে?

উত্তর: বিশ্ব উয়ায়নের কারণে পৃথিবীর শীতলতম মহাদেশ নিম্নলিখিত ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেঃ 

আয়তনের পরিবর্তনঃ 

বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে পৃথিবীর শীতলতম মহাদেশ এন্টার্কটিকা মহাদেশের বরফ গলে যাচ্ছে এবং এর জন্য মহাদেশের আয়তন কমে যাচ্ছে।

পরিবেশের ভারসাম্যঃ  আন্টার্টিকা মহাদেশের বিশুদ্ধ প্রাকৃতিক পরিবেশ নির্মল বাতাস এবং মেঘমুক্ত আকাশ বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে চরম সংকটে পড়েছে।

প্রাণীর সংখ্যা হ্রাসঃ

বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে আন্টার্টিকার শীল এবং পেঙ্গুইনের সংখ্যা বিপুল হারে কমে যাচ্ছে।

৭. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :

৭.১ হিমালয়ের উত্তর থেকে দক্ষিণে বিস্তৃত তিনটি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণির সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও।

হিমালয়ের উত্তর থেকে দক্ষিনে তিনটে সমান্তরাল পর্বতশ্রেণী দেখা যায়ঃ
(i) একেবারে উত্তরে রয়েছে হিমাদ্রি ,
(i) হিমাদ্রির দক্ষিনে হিমাচল
এবং (ii) একেবারে দক্ষিনে শিবালিক রয়েছে।

(i) হিমাদ্রিঃ

হিমালয়ের উচ্চতা এই অংশে সবথেকে বেশি পর্বত শৃঙ্গ গুলোতে সারা বছর বরফ জমে থাকে এই অংশের মাউন্ট এভারেস্ট (8848 মিটার ) পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ।

গড় উচ্চতাঃ

হিমাদ্রির গড় উচ্চতা ৬ হাজার মিটারেরও বেশি।

ভারত-নেপাল সীমান্ত অবস্থিত কাঞ্চনজঙ্ঘা 8598 মিটার।  পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বত শৃঙ্গ, হিমাদ্রিতেই অবস্থিত।

মাকালু,  ধবলগিরি , অন্নপূর্ণা শৃঙ্গগুলো হিমালয়ের হিমাদ্রি অংশে অবস্থিত।

(ii) হিমাচলঃ

হিমাচল হিমাদ্রীর দক্ষিনে অবস্থিত । জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যের পিরপাঞ্জাল ও হিমাচল প্রদেশের ধওলাধর পর্বতশ্রেণী এই অংশে লক্ষ্য করা যায়।

গড় উচ্চতাঃ

হিমালয়ের উচ্চতা 3000 মিটারের বেশি।

পর্যটন কেন্দ্রঃ

হিমাদ্রি হিমালয় ও পিরপাঞ্জাল মাঝে রয়েছে কাশ্মীর উপত্যকা । দার্জিলিং,  মুসৌরি , নৈনিতাল সিমলার মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে আকৃষ্ট হয়ে বহু পর্যটক প্রতিবছর এই পাহাড়ী শহরগুলোতে বেড়াতে আসেন।

(iv) শিবালিকঃ

শিবালিক  হিমাচল এর দক্ষিনে অবস্থিত । শিবালিক ও হিমাচল হিমালয়ের মাঝে সংকীর্ণ উপত্যকাকে  ‘দুন’  বলে। যেমন- দেরাদুন।

গড় উচ্চতাঃ শিবালিকের গড় উচ্চতা 15000 মিটারের কম।

উল্লেখযোগ্য পাহাড় পর্বতঃ

শিবালিক হিমালয়ের পাদদেশে অঞ্চল হল ভারতের সীমানা বরাবর রয়েছে  পাটকই- বুম আর নাগা পর্বত । মেঘালয় রাজ্যে রয়েছে গারো, খাসি,  জয়ন্তিকা পাহাড়।

 

 

৭.২ বায়ুচাপ ও বায়ুপ্রবাহ কোনাে অঞ্চলের আবহাওয়াকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করে তা ব্যাখ্যা করাে।

উত্তরঃ 

বায়ুচাপ : বায়ুচাপ খুব কমে গেলে নিম্নচাপ তৈরি হয় এবং আশেপাশের উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে
প্রবল বেগে বাতাস নিম্নচাপ যুক্ত অঞ্চলের দিকে ছুটে আসে,  ফলে  ঝড় – বৃষ্টি – অশান্ত আবহাওয়া দেখা যায়। আবার , বাতাস ঠান্ডা হয়ে গেলে , বায়ুচাপ বেড়ে গিয়ে উচ্চচাপ তৈরি হলে , পরিষ্কার আকাশ ও শান্ত আবহাওয়া দেখা যায়।

বায়ুপ্রবাহ :
(i) কোনাে স্থানের উপর দিয়ে যদি জলীয় বাষ্পপূর্ণ বায়ু প্রবাহিত হয় , তাহলে সেখানে বৃষ্টিপাত করতে দেখা যায়।
(i) শুষ্ক বায়ু কোন অঞ্চলের উপর দিয়ে প্রবাহিত হলে , বৃষ্টিপাত হয় না। ফলে আবহাওয়ার পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।

৭.৩ অরণ্য সংরক্ষণ করা কেন প্রয়ােজন বলে তুমি মনে করাে?

প্রকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্যঃ  গাছ বাতাস থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইডশােষণ করে এবং বাতাসে অক্সিজেন দেয়।এইভাবেই অরণ্য বায়ুমন্ডলে বিভিন্ন গ্যাসেরসমতা বজায় রাখে অর্থাৎ প্রাকৃতিক পরিবেশেরভারসাম্য রক্ষায় অরণ্য প্রধান ভূমিকা গ্রহণ করে।
(ii) ভূমিক্ষয় রােধ : গাছ নিজের শেকড়ের সাহায্যে মাটিকে শক্ত করে ধরে রাখে এবং এভাবেই অরণ্য ভূমিক্ষয় রােধে সাহায্য করে

(iii) বৃষ্টিপাত নিয়ন্ত্রণ : গাছের প্রস্বেদন প্রক্রিয়ার ফলে , বাষ্পীভবনের পরিমাণ বেশি হয়।
এইজন্য বনভূমি অঞ্চলে বৃষ্টিপাত বেশি হয়। অরণ্য বৃষ্টিপাত তথা জলবায়ু নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মরুভূমির প্রসার রােধ করে।

(iv) বাস্তুতান্ত্রিক ভারসাম্য : বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষার জন্য অরণ্য সংরক্ষণ জরুরী।

(v) বন্যপ্রাণীর বাসস্থান :  বন্যপ্রাণীদের প্রধান আবাসস্থল হল অরণ্য।

(vi) কাচামাল সরবরাহ : কাঠশিল্প ও কাগজ শিল্পের কাঁচামাল অরণ্য থেকে সংগ্রহ করা হয়। মধু, মােম , গদ , রজন , আঠা প্রভৃতিও অরণ্য থেকে সংগ্রহ করা হয়। এছাড়া , অরণ্য বন্যা ও খরা নিয়ন্ত্রণেও মুখ্যভাবে সাহায্য করে।

অন্যান্য ক্লাসের মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক এখানে ক্লিক করুন
এই ব্লগের হোমপেজে যাওয়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন
আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেল-এ যুক্ত হওয়ার জন্য
এখানে ক্লিক করুন
Updated: 19th November 2021 — 7:18 pm

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Study Solve © 2021 Contact Us | 

   DMCA Policy

 

error: Content is protected !!