ছাত্রজীবনের কর্তব্য | বাংলা রচনা (Duties of Student Bangla Rachona)

ছাত্রজীবনের কর্তব্য বাংলা রচনা

 ছাত্রজীবন কাকে বলে:

 কর্মজীবন শুরু হওয়ার আগে বিদ্যালাভের জন্য জীবনের। যে অংশ ব্যয়িত হয়, তাকে ছাত্রজীবন বলে। এটিই বিদ্যালাভ ও শিক্ষার প্রকত সময়।


 ছাত্রজীবনের শ্রেষ্ঠ কর্তব্য :

ছাত্রজীবনে মানুষ থাকে তার অভিভাবকের অধীনে। স্বভাবতই ছাত্রের প্রথম কর্তব্য হল অভিভাবক-অভিভাবিকা, গুরুজন ও শিক্ষক- শিক্ষিকার নির্দেশগুলি পালন করা। শিক্ষাগ্রহণ তখনই সম্ভব যখন ছাত্র-ছাত্রী বড়ােদের কথা শােনে, তাদের নির্দেশ মেনে জীবনের পথ চলা শুরু করে। এর পরের কর্তব্য হল, | বিদ্যালাভে যত্নবান হওয়া। মনে রাখতে হবে, বিদ্যা অমূল্য ধন এবং কেবলমাত্র | যত্নশীলই রত্ন লাভের অধিকারী। কেবল পরিশ্রমই বিদ্যালাভের পক্ষে যথেষ্ট নয়, নিয়মানুবর্তিতা এবং সময়নিষ্ঠ হওয়াও প্রয়ােজন। এই তিনের মিলনে যে বিদ্যালাভ ঘটে, তা-ই সার্থক। | 

অন্যান্য কর্তব্য:


 কেবল বিদ্বান হলেই মানুষের মতাে মানুষ হওয়া যায় না। ছাত্রদের  এই সময় বিনয় ও শিষ্টাচারও শিখতে হয়। এই সময়ই চরিত্র গঠনের শ্রেষ্ঠ সময়। চরিত্র  গঠিত হয় সঙ্গের দ্বারা। ছাত্র অসৎ সঙ্গে মিশলে অর্জিত বিদ্যা অসৎ পথে যায়। তাই ছাত্রকে অবশ্যই সৎ সংসর্গে মিশতে হবে। চরিত্রই মানুষের অমূল্য সম্পদ। সংসর্গগুণেই চরিত্র গঠিত হয় এবং ছাত্রজীবনই চরিত্র গঠনের শ্রেষ্ঠ সময়। 

শরীর গঠন ও খেলাধূলা :


 শরীর ভালাে না থাকলে পড়াশুনাে করা যায় না। আবার, কেবল পড়ার মধ্যে দিনরাত নিজেকে নিয়ােজিত রাখা যায় না তাই পড়াশুনাের পাশাপাশি আনন্দ ও বিনােদনের ব্যবস্থা থাকা প্রয়ােজন। খেলাধূলায় একই সঙ্গে শরীর গঠন ও আনন্দ লাভ হয়। তাই পড়াশুনাের পাশাপাশি ছাত্রকে কিছু সময় খেলাধুলাতেও ব্যয় করতে হবে। ‘

 উপসংহার:


 ছাত্ররাই দেশের ভবিষ্যৎ নাগরিক। দেশের উন্নতি তাই তাদের উপর অনেকটা নির্ভর করে। একজন আদর্শ ছাত্র দেশের ও দশের গৌরব। প্রতিটি ছাত্রছাত্রীকেই তাই এমনভাবে তৈরি হতে হবে যাতে ভবিষ্যতে দেশ তাদের নিয়ে গর্ব অনুভব করতে পারে।




Leave a Comment

Your email address will not be published.

x